ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

কুষ্টিয়ায় পীরকে হত্যা

‘মামলায় জামায়াতকে জড়ানো সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ’

জেলা প্রতিনিধি | কুষ্টিয়া | প্রকাশিত: ০৭:২৭ পিএম, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর আব্দুর রহমান শামীম ওরফে জাহাঙ্গীর (৬৫) হত্যাকাণ্ড ও দরবারে সংঘটিত হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর কোনো নেতাকর্মী জড়িত নয় বলে দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে কুষ্টিয়া শহরে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে কুষ্টিয়া শহর জামায়াতের আমির এনামুল হক, দৌলতপুর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা বেলাল হোসেন, দৌলতপুর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ আল নোমান, কুষ্টিয়া শহর ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও যুব বিভাগের নেতা মোস্তাফিজুর রহমান পলাশসহ জামায়াত নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে দৌলতপুর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা বেলাল হোসেন বলেন, সম্প্রতি ফিলিপনগরে সংঘটিত মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ফিলিপনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী ও সাবেক জেলা সভাপতি মুহাম্মদ খাজা আহমেদকে প্রধান আসামি হিসেবে জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দলের আরও কয়েকজন দায়িত্বশীল নেতাকেও এ ঘটনায় সম্পৃক্ত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। আমরা দৃঢ়ভাবে জানাতে চাই—এ ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রেরই অংশ।

ওই ঘটনার সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী বা এর কোনো নেতাকর্মীর ন্যূনতম সম্পৃক্ততা নেই। বরং ঘটনার সূচনা থেকেই দৌলতপুর উপজেলা জামায়াত শান্তিপূর্ণ সমাধান, সংলাপ এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল অবস্থান নিয়ে আসছে। নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানান জামায়াত নেতারা।

জামায়াত নেতা বেলাল হোসেন বলেন, ‌‘আমরা সুস্পষ্টভাবে বলতে চাই—কোনো মতপার্থক্য বা আদর্শিক দ্বন্দ্ব কখনোই সহিংসতা কিংবা হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হতে পারে না। বিচারবহির্ভূত কোনো কর্মকাণ্ডের প্রতি আমাদের কোনো ধরনের সমর্থন নেই এবং কখনো ছিল না।’

প্রসঙ্গত, ইসলাম ধর্ম নিয়ে অবমাননাকর বক্তব্যের অভিযোগে শনিবার (১১ এপ্রিল) দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগরে নিজ আস্তানায় কয়েকশ মানুষের সঙ্ঘবদ্ধ আক্রমণে নিহত হন ওই দরবারের প্রধান আব্দুর রহমান শামীম ওরফে জাহাঙ্গীর (৬৫)। এসময় শামীমের তিন অনুসারীও আহত হন। আস্তানায় দফায় দফায় হামলা, ভাঙচুর ও আগুন দেওয়া হয়। মূল্যবান সম্পদ লুটেরও অভিযোগ ওঠে।

আল-মামুন সাগর/এসআর/জেআইএম