প্রতি ৫০ কেজি সারের বস্তায় ৩/৪ কেজি কম!
ঝিনাইদহের বাফার গোডাউনে ৫০টি ইউরিয়া সার বোঝাই ট্রাক এসেছে গত শুক্রবার রাতে। এর মধ্যে ১৬টি ট্রাকে যে সার আছে তার প্রতিটির ৫০ কেজির বস্তায় আছে ৪৬/৪৭ কেজি সার। অর্থাৎ ৩/৪ কেজি করে সার কম আছে।
ঘটনা জানাজানি হলে বাফার গোডাউন কর্তৃপক্ষ এ সার বোঝাই ট্রাকগুলো থেকে সার আনলোড করতে অস্বিকৃতি জানায়। এ নিয়ে বাফার গোডাউনে সৃষ্টি হয়েছে অচলাবস্থা।
ঝিনাইদহ সার ডিলার মালিক সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, যশোর নওয়াপাড়া থেকে আগত ৫০টি ট্রাকের মধ্যে ১৬টি ট্রাকে আসা ৩শ মেট্রিক টন ইউরিয়া সারের প্রতি বস্তায় ৩ থেকে ৪ কেজি কম রয়েছে। চট্টগ্রামের আগ্রাবাদের নবাব অ্যান্ড কোম্পানি এই সার সরবরাহ করে। দীর্ঘদিন সারগুলো বন্দরের ঘাটে পড়ে থাকায় এর গুণগত মানও নষ্ট হয়ে গেছে বলে ডিলারদের অভিযোগ।
ট্রাকগুলোর ড্রাইভাররা জানান, আমরা ট্রাকের সাধারণ ড্রাইভার। দিন আনি দিন খাই। কিন্তু এই সার নিয়ে এসে ফেসে গেছি। গত ৪ দিন থেকে কোনো ট্রাক আনলোড হচ্ছে না। মাল খালস না হওয়া পর্যন্ত আমরা বসে আছি আর প্রতিনিয়ত মালিকের বকাবকি শুনছি।
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ বাফার সার গোডাউনের উপ-ব্যবস্থাপক মাসুদ রানা জানান, ডিলারদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রতি ট্রাক থেকে কয়েকটি বাস্তা নামিয়ে মেপে দেখা যায় প্রতি বস্তায় প্রায় ৩/৪ কেজি সার কম আছে।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মানোয়ার হোসেন মোল্যা জানান, আমরা কোনো অবস্থাতেই এ ধরনের মাল আনলোড করবো না। আমাদের ৫০ কেজির বস্তা বুঝিয়ে দিতে হবে। অন্যথায় এই সারের সব ট্রাক ফেরত যাবে।
আহমেদ নাসিম আনসারী/এফএ/পিআর