ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

আটক বাণিজ্যে ব্যস্ত পোর্ট থানা পুলিশ

প্রকাশিত: ১০:৩৮ এএম, ০৭ আগস্ট ২০১৬

বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের বিরুদ্ধে আটক বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিদিন কোনো না কোনো এলাকা থেকে সাধারণ মানুষ ধরে এনে ইয়াবা, ফেনসিডিল ও গাঁজা পকেটে ঢুকিয়ে দিয়ে মাদক পাওয়া গেছে বলে হাজার হাজার টাকা আদায় করছে। যারা টাকা দিতে পারছে না তাদের মাদক দিয়ে চালান দিচ্ছে।

প্রতিনিয়ত এ ঘটনা ঘটলেও থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় থানায় কর্মরত এএসআই ও এসআইদের দৌরাত্ম্য চরমে উঠেছে।

বেনাপোল পৌরসভার দীঘিরপাড় গ্রামের লোকজন জানান, শুক্রবার রাতে মফিজুর রহমান নামে এক যুবককে মিথ্যা অভিযোগে আটক করে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের দুই উপপরিদর্শক (এসআই)। পুলিশের চাহিদা  মেটাতে না পারায় তাকে ১০০ পিস ইয়াবাসহ চালান দেয়া হয়েছে। মফিজুর বেনাপোলের একটি পরিবহনের কাউন্টারে কলারম্যান হিসেবে চাকরি করে।

মফিজুরের স্ত্রী ময়না খাতুন জানান, তার স্বামীকে বাড়ি থেকে বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই ইকবাল ও এসআই মেজবাহ ধরে নিয়ে যান। থানায় নিয়ে তাকে আটক করে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। এ টাকা তার পরিবারের পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দিলে তাকে ১০০ পিস ইয়াবাসহ চালান দেয়।

এ ঘটনায় শনিবার বিকেলে দীঘিরপাড় গ্রামবাসী সত্য ঘটনা উদঘাটন এবং পুলিশের নির্যাতন থেকে বাঁচার জন্য বেনাপোল পৌরসভার মেয়র আশরাফুল আলম লিটনের কাছে বিচার দাবি করেন।
 
এলাকাবাসী জানায়, আমরা সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ। আমাদের বাড়ি থেকে ধরে এনে ইয়াবা-ফেনসিডিল দিয়ে চালান দেওয়ার নাম করে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে পোর্ট থানা পুলিশ।

তবে এ ব্যাপারে উপপরিদর্শক (এসআই) মেজবাহ জানান, আটক মফিজুর মাদক ব্যবসায়ী। তাকে মামলা দিয়ে আদালতে চালান দেওয়া হয়েছে।

জামাল হোসেন/এফএ/এবিএস