ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

কিস্তি নিয়ে বিপাকে বানভাসিরা

প্রকাশিত: ০২:৩৮ পিএম, ০৯ আগস্ট ২০১৬

টাঙ্গাইলের ভুয়াপুর উপজেলায় দুই সপ্তাহের অধিক বন্যায় কবলিত মানুষের পিছু ছাড়ছে না গ্রামীণ ব্যাংকসহ অন্যান্য এনজিও। বন্যার সময় ঋণগ্রহীতাদের বাড়ির উঠানের পানি পেরিয়ে কিস্তি আদায়ের অভিযোগ উঠেছে গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মীদের বিরুদ্ধে। এতে বানভাসি ঋণগ্রহীতারা চরম বিপাকে পড়েছেন।

উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নে স্থাপিত গ্রামীণ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী তাদের আয়ত্তের মধ্যে দুই হাজার ৫০ জন সদস্য এবার বন্যায় পানিবন্দি। এসব মানুষ পানিবন্দি হলেও তাদের কাছ থেকে ঋণের টাকা আদায় বন্ধ করেনি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

জানা যায়, সুদের হার বৃদ্ধি পাবে মর্মে ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করেছে কর্তৃপক্ষ। ফলে নিরুপায় হয়েই বন্যার মধ্যে ধারদেনা করে অতিকষ্টে ব্যাংকের কিস্তি দিতে হচ্ছে ঋণগ্রহীতাদের। এরপরও অল্পসংখ্যক সদস্য সাপ্তাহিক কিস্তি দিতে না পারলেও দু-একদিন পরই কিস্তি আদায় করা হচ্ছে তাদের কাছ থেকে।

ঋণগ্রহীতারা জানান, বন্যায় কাজ করতে না পারায় অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটছে বন্যাকবলিত মানুষের। এরপরও এনজিওগুলো আমাদের কোনো সাহায্য সহযোগিতা না করে উল্টো কিস্তির জন্য চাপ দিচ্ছে। সবচেয়ে বেশি চাপ দিচ্ছে গ্রামীণ ব্যাংক। তাদের নাকি এনজিও না ব্যাংক। টাকা না দিলে গ্রামীণ ব্যাংকের ম্যানেজার আমাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন।

এ বিষয়ে গ্রামীণ ব্যাংকের গোবিন্দাসী ইউনিয়ন শাখা ব্যবস্থাপক আবুল কালাম আজাদ তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
 
তিনি জানান, তথ্য দিতে ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুমতি লাগবে। এছাড়া বন্যাকবলিতদের কাছ থেকে কিস্তি না নেয়ার কোনো নির্দেশনা পাইনি। এটা এনজিও না, ব্যাংক। তাই ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী কিস্তির টাকা আদায় করা হচ্ছে।

আরিফ উর রহমান টগর/এএম/এবিএস

আরও পড়ুন