ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ধর্ষণ থেকে বাঁচতে ইমামকে হত্যা

প্রকাশিত: ১২:৩৪ পিএম, ১৬ আগস্ট ২০১৬

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ার চরে ধর্ষণ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে মিজানুর রহমান খোকন নামে পানজাকোনা মক্তবের ইমামকে হত্যা করেছেন এক নারী।

ময়না বেগম নামে ওই নারী মঙ্গলবার কিশোরগঞ্জ জেলা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এসব কথা জানান।

এর আগে সোমবার রাতে নিহতের ভাই নূরুল হক বাদী হয়ে কুলিয়ার চর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই এলাকার প্রবাসী নজরুল ইসলামের স্ত্রী ময়না বেগমকে(২৬) গ্রেফতার দেখায় পুলিশ।

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ময়না বেগম জানান, ওই ইমাম ধর্ষণ করতে গেলে নিজকে বাচাঁতে ইমামকে আঘাত করেন তিনি। এতে হাফেজ মিজান ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

এছাড়া হত্যার দায় থেকে নিজেকে বাঁচাতে তার ভাইকে ডেকে মরদেহ গুম করার চেষ্টার কথাও স্বীকার করে জবানবন্দি দেন তিনি।

জানা যায়, গত রোববার ময়না বেগমকে গভীর রাতে ওই মক্তবের ইমাম ধর্ষণ করতে যান। এ সময় ইমামকে তিনি আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

ওই সময় ময়না বেগম তার ভাই মনির হোসেনকে এ ঘটনা জানালে তারা নিহত ইমামের মরদেহ গুম করতে বস্তাবন্দি করেন।

পরে গভীর রাতে বস্তাবন্দি মরদেহ মোটরসাইকেলযোগে নেয়ার সময় এলাকাবাসী দেখে চোর চোর চিৎকার করলে অপরাধীরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

কুলিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চৌধুরি মিজানুজ্জামান জানান, ময়না বেগম মংগলবার আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। তবে ধর্ষণ থেকে নিজেকে বাঁচাতে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে নাকি অন্য কোনো কারণে হয়েছে তা তদন্ত করলে জানা যাবে।

আসাদুজ্জামান ফারুক/এফএ/এম/আরআইপি

আরও পড়ুন