ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ফেল করা আট কলেজের শিক্ষার্থী সংখ্যা ২০

প্রকাশিত: ১১:৫১ এএম, ১৯ আগস্ট ২০১৬

দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডে এবার এইচএসসি পরীক্ষায় আটটি কলেজের কোনো শিক্ষার্থী কেউ পাস করতে পারেনি। বৃহস্পতিবার ঘোষিত ফলাফলে এ তথ্য ছড়িয়ে সর্বত্র আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। কিন্তু অবাক করা বিষয় হচ্ছে ফেল করা আট কলেজের শিক্ষার্থী সংখ্যা ২০ জন।

জানা যায়, দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডে এবার এইচএসসি পরীক্ষায় ওই আটটি কলেজ থেকে মাত্র ২০ পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। যার কেউ পাশ করতে পারেনি। অনুসন্ধান করতে গিয়ে অনেকেই ওসব কলেজের বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা জাগো নিউজকে জানান, ফেল করা আটক কলেজের মধ্যে দুই একজন করে শিক্ষার্থী রয়েছে। এছাড়া অনেক কলেজে শিক্ষক ও কর্মচারীও নেই। ঠিক মতো ক্লাস হয়নি। ফলে ফেল ওসব কলেজের দুই একজন শিক্ষার্থী পাস না করাটাই স্বাভাবিক।

কেউ পাস করতে পারেনি এমন কলেজগুলো মধ্যে, রংপুরের পীরগাছার সাতদরগা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, যার ছাত্র সংখ্যা ছয়জন। লালমনিরহাটের কালিগঞ্জের দুহুল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, যার ছাত্র সংখ্যা চারজন। গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের বুড়াবুড়ি কলেজ, যার ছাত্র সংখ্যা একজন। দিনাজপুরের ফুলবাড়ির উত্তর লক্ষ্মীপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ, যার ছাত্র সংখ্যাও একজন। ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলের রামপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ, যার ছাত্র সংখ্যা চারজন। নীলফামারীর নগর দারোয়ানী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, যার ছাত্র সংখ্যা তিনজন। জেলার জলঢাকার বগুলাগাড়ি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, যার ছাত্র সংখ্যা একজন এবং কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, যার ছাত্র সংখ্যা একজন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দিনাজপুরের প্রভাষক মিজানুর রহমান, সাংবাদিক দেলোয়ার হোসেন, প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ জানান, কলেজগুলোতে যেহেতু শিক্ষার্থীর সংখ্যা একেবারই কম সেহেতু তাদের ক্লাস প্রাইভেটের মতো  হওয়ার কথা। সেক্ষেত্রে এই ২০ জনের ফলাফল আশাতীত ভালো হওয়ার কথা ছিল। অথচ ২০ জনই ফেল করেছে। যা হতাশার সৃষ্টি করেছে। কেন বা কি জন্য এই কলেজগুলোকে সরকার এমপিওভুক্ত করবে। এখন উল্টো প্রশ্ন হওয়া উচিত এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী কত জন?

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের সহকারী কন্ট্রোলার রাকিবুল ইসলাম জানান, ওই আট কলেজ থেকে মোট ২০ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। তদের সবাই ফেল করেছে। এর মধ্যে চারটি কলেজে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল মাত্র একজন করে মোট চারজন। বাকিগুলোর অবস্থা কি সেটা এগুলো বিবেচনা করেই বুঝা যায়।

এমদাদুল হক মিলন/এএম/এবিএস