ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

অকালে চলে গেলেন অধ্যাপক মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন

প্রকাশিত: ০৭:২১ এএম, ২৫ আগস্ট ২০১৬

পরিবারসহ সকল শুভাকাঙ্ক্ষীদের শোক সাগরে ভাসিয়ে অকালে না ফেরার দেশে চলে গেলেন সবার প্রিয় অধ্যাপক মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন (৫৫)। বুধবার সকালে হঠাৎ মস্তিকে রক্তক্ষরণ জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান (ইন্না...রাজেউন)।

মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, চার সন্তান, বৃদ্ধা মা, ভাই-বোন ও আত্মীয় স্বজনসহ অসংখ্য শিক্ষার্থী রেখে যান। তিনি দীর্ঘ দুই যুগ কক্সবাজার সরকারি কলেজে অধ্যাপনা করেছেন। এ সুবাধে তিনি অগণিত শিক্ষার্থীর আন্তপ্রাণ সাইফুদ্দিন স্যার হিসেবে পরিচিত।
 
পারিবারিক সূত্র জানায়, তিনি চট্টগ্রাম শহরে কর্মস্থলের কাছে পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় বাস করতেন। বুধবার সকালে তিনি হঠাৎ বুকে ব্যাথা ও শারিরীকভাবে অসুস্থ বোধ করলে বিছানায় শুয়ে পড়েন। পরে বিছানা থেকে পড়ে যান তিনি। এসময় তার নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত বের হতে থাকে। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মস্তিস্কে রক্তক্ষরণ জনিত কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত মতে তার প্রথম জানাজা বেলা ১১টায় চট্টগ্রাম সিটি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তার মরদেহ নিয়ে আসা হয় নিজ গ্রাম চকরিয়ায়।  

সকাল থেকে তার অকাল মৃত্যুর খবর পেয়ে কক্সবাজারের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থী, সহকর্মী ও সহপাঠীগণ তার গ্রামের বাড়িতে সমবেত হন।

বুধবার বিকেল সাড়ে ৫ টায় চকরিয়ার সাহারবিল বাটাখালী আনোয়ারুল উলুম ফাজিল মাদরাসা মাঠে তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তাকে শেষ বিদায় জানাতে সমবেত হন সকল রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক সমাজ, নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ ও এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণ।
 
প্রয়াত অধ্যাপক মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন কক্সবাজার সরকারি কলেজে ১৯৯২ সালে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেয়ার পর বাংলা বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এখানে থাকাকালীন সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি নিয়ে গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজে বদলি হন তিনি। সেখান থেকে চলতি বছর চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে যান।
 
তার অকাল মৃত্যুতে সহকর্মী, সহপাঠী, শিক্ষার্থীসহ নানা পেশাজীবী ও রাজনৈতিক সংগঠন শোক জানিয়েছেন।

সায়ীদ আলমগীর/এফএ/এবিএস