ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

নৌ ধর্মঘটের আওতামুক্ত বালুবাহী বাল্কহেড ও অয়েল ট্যাংকার

প্রকাশিত: ১১:৫১ এএম, ২৫ আগস্ট ২০১৬

মালিকপক্ষ শ্রমিকদের দাবি মেনে নেয়ায় নৌ ধর্মঘটের আওতামুক্ত থাকছে বালুবাহী বাল্কহেড ও অয়েল ট্যাংকার।

বুধবার বিকেলে ঢাকায় মালিক, শ্রমিক ও সরকারের ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বালুবাহী বাল্কহেড মালিক সমিতি শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৯ হাজার টাকা মেনে নেয়ায় বালুবাহী বাল্কহেড কর্মবিরতির আওতামুক্ত থাকছে। এর আগে অয়েল ট্যাংকার মালিক সমিতি দাবি মেনে নেয়ায় অয়েল ট্যাংকারগুলোও কর্মবিরতির আওতামুক্ত রয়েছে।

বাংলাদেশ নৌ শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদের নেতা সবুজ শিকদার জানান, ইতোমধ্যে শীতলক্ষ্যা ও বুড়িগঙ্গা নদীতে বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল শুরু হয়েছে। এছাড়া বাকি শ্রমিকদের দাবি যতদিন পর্যন্ত মেনে নেয়া না হবে ততদিন পর্যন্ত আমাদের লাগাতার কর্মবিরতি চলবে।

এদিকে সর্বনিম্ম মজুরি ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ, কর্মস্থলে দুর্ঘটনায় মৃত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ পুনর্নির্ধারণ, নৌপথে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ডাকাতি বন্ধসহ নদীর নাব্যতা রক্ষার দাবিতে ২২ আগস্ট মধ্যরাত থেকে সারাদেশে শুরু হওয়া নৌযান শ্রমিকদের লাগাতার কর্মবিরতির সমর্থনে বৃহস্পতিবারও নারায়ণগঞ্জে বন্ধ রয়েছে বিভিন্ন ধরনের নৌযান চলাচল।

শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্ব ও পশ্চিম তীরে নোঙর করা রয়েছে পণ্যবাহী নৌযানগুলো। জাহাজগুলো স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের সামনে নোঙর করে রাখলেও লোড-আনলোড হচ্ছে না। এতে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন লোড-আনলোড শ্রমিকরা।

তবে নারায়ণগঞ্জ থেকে স্বল্প দূরত্বের কিছু লঞ্চ ছেড়ে গেলেও দূরপাল্লার লঞ্চগুলো চলাচল করেনি।

জানা গেছে, চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি সারাদেশে কর্মবিরতি পালনের ডাক দেন নৌ শ্রমিকরা। পরে ২৬ জানুয়ারি নৌপরিবহন মন্ত্রীর সভাপতিত্বে ত্রিপক্ষীয় সভায় সকলের উপস্থিতিতে একটি চুক্তিনামা হয়। ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ৭ দফা দাবি মেনে নেয়ার সিদ্ধান্ত হলেও সেটা মানা হয়নি।

পরে ন্যূনতম বেতন ১১ হাজার টাকা নির্ধারণসহ ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে ২১ এপ্রিল থেকে ব্যক্তিমালিকানাধীন পণ্যবাহী ও যাত্রীবাহী সকল ধরনের নৌযানের শ্রমিক কর্মচারীরা লাগাতার কর্মবিরতি পালন শুরু করেন। এরপর নৌপরিবহন মন্ত্রী ও শ্রম প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠকের পর তিন ক্যাটাগরিতে শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণ করা হয়, যা ছিল ১০ হাজার, সাড়ে ৯ হাজার ও ৯ হাজার।

শ্রম মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবকে প্রধান করে একটি মজুরি বোর্ডও গঠন করা হয়। ওই মজুরি বোর্ড কোস্টার মালিকপক্ষের সঙ্গে তিন দফা, যাত্রীবাহী লঞ্চ মালিক সমিতির সঙ্গে তিন দফা ও অয়েল ট্যাংকার ওনার্স এসোসিয়েশনের সঙ্গে তিন দফা বৈঠক করে।

১৯ আগস্ট মজুরি বোর্ডের একটি সভায় মজুরির বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই জানা যায়, এ বিষয়ে হাইকোর্টে একটি স্থগিতাদেশ জারি করা হয়েছে।

শাহাদাত হোসেন/এফএ/আরআইপি

আরও পড়ুন