ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

মাদরাসায় অফিস সহকারী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশিত: ১২:৩৩ পিএম, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে মাদরাসায় অফিস সহকারী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার বায়রা ইউনিয়নের চর জামালপুর ইসলামিয়া আলিম মাদরাসায় অফিস সহকারী নিয়োগে মাদরাসার প্রিন্সিপাল ও গভর্নিং বডির সভাপতির বিরুদ্ধে এ অনিয়ম এবং নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় নিয়োগ কমেটির এক অংশ বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, বায়রা ইউনিয়নের চর জামালপুর ইসলামিয়া আলিম মাদরাসায় অফিস সহকারী নিয়োগের জন্য গত ৫ সেপ্টেম্বর পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষায় ৫ জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করেন।
 
এদের মধ্যে মো. ওবায়দুর রহমানকে মনোনীত করে নিয়োগ কমিটির এক অংশ। মনোনীত ওবায়দুর রহমান নকল একটি কম্পিউটার সার্টিফিকেট জমা দেন। যাতে প্রশিক্ষণ সময় দেওয়া হয় ১ জুলাই ২০১৫ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫।

অথচ উল্লেখিত সময়ে উবায়দুর রহমান সৌদি আরবে ছিলেন। তিনি ২০১৬ সালে দেশে ফিরেন। মাদরাসার প্রিন্সিপাল আলী আহাম্মদ ও সভাপতি মোহাম্মাদ আলীর যোগসাজশে মোটা অংকের টাকার বিনিময় অফিস সহকারী পদে ওবায়দুরকে মনোনীত করা হয় বলে অভিযোগ করেন নিয়োগ কমেটির এক অংশ।

মাদরাসার নিয়োগ কমেটির সদস্য ফরিদ উদ্দিন শিকদার, আবুল কালাম ও গভর্নিং বডির সদস্য ফারুক আহম্মেদ জানান, ওবায়দুরের কম্পিউটার সার্টিফিকেট ভুয়া। এছাড়াও লিখিত পরীক্ষার আগে ওবায়দুরের কাছে প্রশ্ন ফাঁস করে বেশি নম্বর পেতে সাহায্য করেন প্রিন্সিপাল আলী আহম্মদ। ওবায়দুরকে উক্ত পদে মনোনীত করার জন্য প্রিন্সিপাল আলী আহম্মদ ও সভাপতি মোহাম্মাদ আলী ৫ লক্ষ টাকা ঘুষ-বাণিজ্য করেন।

manikganje

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রিন্সপাল আলী আহম্মদ। তিনি বলেন, একজন অফিস সহকারীর বেতন কত? যার জন্য সে আমাদের ৫ লক্ষ টাকা ঘুষ দিবে। এগুলো সব মিথ্যা বানোয়াট। আর প্রশ্ন ফাঁসের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
 
ওবায়দুরের কম্পিউটার সার্টিফিকেট নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ওবায়দুর বিদেশ ছিলো না দেশে ছিলো সেটা দেখার বিষয় আমার না। নিয়োগ কমেটির সকলে ওবায়দুরের কম্পিউটার সার্টিফিকেট দেখে তাকে মনোনীত করেছেন।

মাদরাসার গভার্নিং বডির সভাপতি মোহাম্মাদ আলী এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।

সিংগাইর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবু ওবায়দার সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলতে তার অফিসে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন ধরেননি।

খোরশেদ/এফএ/পিআর