ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

গাইবান্ধায় শৈতপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত

প্রকাশিত: ১০:৩৬ এএম, ২৯ জানুয়ারি ২০১৫

উত্তরের হিমেল হাওয়া, শৈত্যপ্রবাহ ও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে গাইবান্ধার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বুধবার থেকে সর্বত্র কনকনে ঠাণ্ডা বাতাসের সঙ্গে শীতের তীব্রতাও বেড়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি পড়ছিল। বৃষ্টির সঙ্গে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় দিনের বেলাতেই আঁধার নেমে আসে। বৃষ্টির কারণে লোকজন ঘরের বাইরে বের হতে পারছেন না। সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে খেটে খাওয়া মানুষ।

এছাড়াও নিম্ন আয়ের মানুষ, দিনমজুর, কুলিসহ স্কুল-কলেজগামী ছাত্রছাত্রীদের জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়ে পড়েছে। খেটে খাওয়া মানুষদের আয়ের পথ বন্ধ হওয়ায় অনেকটা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

শীতের কবল থেকে বাঁচার জন্য গ্রামাঞ্চলের অনেক জায়গায় লোকজনকে খড়কুটো জ্বালিয়ে গা গরম করতে দেখা যায়। এছাড়া বৃষ্টির কারণে রবি শস্য, আমের মুকুল, লিচু বাগান ও আলু ক্ষেতের ক্ষতি হচ্ছে।

এদিকে শৈত্যপ্রবাহের পাশাপাশি গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ও হিমেল হাওয়া প্রবাহিত হওয়ায় ঠাণ্ডাজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। কাহিল হয়ে পড়েছে প্রসূতি মা, শিশু, বৃদ্ধসহ গবাদি পশু-পাখি। বিশেষ করে চরাঞ্চলের ছিন্নমূল মানুষের জীবনযাত্রা বিপন্ন হয়ে পড়েছে। তীব্র শীতের প্রকোপে বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রিত ছিন্নমূল, নদী তীরবর্তী এলাকা ও চরাঞ্চলের মানুষ শীতবস্ত্রের অভাবে চরম দুর্ভোগের কবলে পড়েছেন।

শীতের কারণে শিশু ও বৃদ্ধরা নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ছেন। বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, জ্বর, মাথা ব্যথাসহ রোগীর সংখ্যা বেড়েছে।

সিভিল সার্জন ডা. নজরুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, হাসপাতালে শীতজনিত রোগের যথেষ্ট চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে পর্যাপ্ত ওষুধ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

জেলা প্রশাসক এহসানে এলাহী জানান, শীতার্ত মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া উপজেলা পর্যায়ে শীতবস্ত্র পাঠানো হয়েছে। আরও কিছু শীতবস্ত্র চেয়ে আবেদন করা আছে। এগুলো পাওয়া গেলে দ্রুত বিতরণ করা হবে।


এমএএস/আরআই