যুক্তরাষ্ট্রে নিহত রহিমের গ্রামের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম
ক্যাপশন : নিহত আবদুর রহিম
সন্ত্রাসী হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে নিহত আবুল কালাম ওরফে আবদুর রহিমের কুমিল্লার তিতাসের বাতাকান্দি গ্রামের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। তিনি বাতাকান্দি গ্রামের মৃত ছাদিরুজ্জামানের ছেলে।
গত ২৫ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময় রাত ১২টায় লস অ্যাঞ্জেলসের শেরম্যান ওয়েতে অবস্থিত লিকোয়ার মার্টে সুপারশপ বন্ধ করার সময় সন্ত্রাসীদের গুলিতে তিনি নিহত হন।
নিহত আবুল কালাম প্রায় ১৬ বছর যাবৎ পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছিলেন। তিন ভাই ও তিন বোনের মধ্যে আবুল কালাম সকলের ছোট। তার মৃত্যুতে কুমিল্লার গ্রামের বাড়িতে স্বজনদের মাঝে চলছে শোকের মাতম।
নিহতের চাচাতো ভাই আতিকুজ্জামান জানান, তার মৃত্যুর খবরে আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আগামী সপ্তাহে নিহতের মরদেহ বাংলাদেশে আনার পর ঢাকার খিলগাঁওয়ে দাফন করা হবে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধের সময় মুক্তিযুদ্ধের প্রশিক্ষণ শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন আবুল কালাম ওরফে আবদুর রহিম। বঙ্গবন্ধু স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে বঙ্গবন্ধুর গাড়ির ঠিক সামনের ছবিতে ন্যাড়া মাথার যে তরুণকে দেখা যায় তিনিই হলেন আবুল কালাম ওরফে আবদুর রহিম।
পরবর্তীতে জাপানে কয়েক বছর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হন তিনি। তার তিন মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। এক ছেলে ফাহিম কালাম, ছোট মেয়ে তৃষ্ণা কালাম ও স্ত্রী শেলী কালামকে নিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করতেন। বড় মেয়ে ফাহমিদা কালাম পুতুল সম্প্রতি এমবিবিএস পাস করেছেন এবং মেঝো মেয়ে আশা কালাম বর্তমানে ঢাকার খিলগাঁওয়ে বসবাস করছেন।
কামাল উদ্দিন/এআরএ/এবিএস