বেনাপোলে অধ্যক্ষ নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ
যশোরের শার্শার বাগআঁচড়া ছিদ্দিকিয়া সিনিয়র ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরায়ায় অধ্যক্ষ নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে জানা গেছে, ৮ লাখ টাকার বিনিময়ে সাতমাইল মহিলা মাদরাসার অধ্যক্ষ ফসিয়ার রহমানকে বাগআঁচড়া ছিদ্দিকিয়া সিনিয়র ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসায় অধ্যক্ষ পদে নিয়োগের কথা বলে মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও ম্যানেজিং কমিটির এক প্রভাবশালী সদস্য একটি অলিখিত চুক্তি করেছেন।
চলতি বছরের মার্চ মাসে এ মাদরাসার অধ্যক্ষ অবসর নেন। ফলে ম্যানেজিং কমিটি মাদরাসায় নতুন একজন অধ্যক্ষ নিয়োগের জন্য মে মাসে একটি পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর অধ্যক্ষ পদে ৭ জন প্রার্থী আবেদন করেন। সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ছিল নিয়োগ পরীক্ষা।
পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় শার্শার সরকারি বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ কলেজে। সেখানে ৩ জন প্রার্থী হাজির হলেও আবেদন ছাড়া আরো একজন প্রার্থী নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীর মধ্যে কেউ লিখিত পরীক্ষায় পাস করতে পারেনি। যে কারণে ডিজি প্রতিনিধি হিসেবে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সফিকুর রহমান মৌখিক পরীক্ষা না নিয়ে নিয়োগ স্থগিত করেন।
এ ব্যাপারে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রেজাউল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে নতুন একজন অধ্যক্ষ নিয়োগ দেয়া হবে। অধ্যক্ষ নিয়োগে আমার কোনো হাত নেই এবং টাকার বিষয়ে আমি কিছু জানি না।
মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য ও বাগআঁচড়া ইউপি চেয়ারম্যান ইলিয়াজ কবীর বকুল জানান, তিনি মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির একজন সদস্য। এমপি মহোদয় মাদরাসা কমিটির সভাপতি। কোরাম পূরণ না হওয়ায় নিয়োগ বন্ধ করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, টাকার বিনিময়ে অধ্যক্ষ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে না। একটি মহল রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে অধ্যক্ষ নিয়োগে টাকার বিষয়টি নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
জামাল হোসেন/এসএস/এবিএস
সর্বশেষ - দেশজুড়ে
- ১ স্বতন্ত্র প্রার্থীকে গুলি-গাড়ি ভাঙচুর, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
- ২ যারা জনগণকে ভোটবঞ্চিত করতে চান তাদের অবস্থান হবে দিল্লি: আসিফ মাহমুদ
- ৩ যারা স্বাধীনতায় বিশ্বাসী নয়, দেশের মানুষ তাদের সমর্থন করতে পারে না
- ৪ মুচলেকা দিয়ে যারা পালিয়ে ছিলেন তারা এখন চটকদার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন
- ৫ জামায়াতকে সমর্থন করে সরে গেলেন গণঅধিকারের প্রার্থী বিন ইয়ামিন মোল্লা