স্কুল-কলেজে এমন শিক্ষা দেন যাতে তদবির ছাড়াই চাকরি হয়
শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে শিক্ষকদের আরো আন্তরিক হওয়ার তাগিদ দিয়ে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেছেন, শিক্ষার্থীদের এমন মানের শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলুন, যাতে লেখাপড়া শেষ করে কোনো তদবির ছাড়াই তারা চাকরি পায়।
শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, লেখাপড়ার কোনো বিকল্প নেই। এক সময় হাওর ছিল দুর্গম। স্কুল-কলেজের সংখ্যা ছিল খুবই কম। এখন হাওরে শিক্ষার সুযোগ বেড়েছে। প্রতিষ্ঠিত হয়েছে অসংখ্য স্কুল-কলেজ। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করা হয়েছে। তাই লেখাপড়া শিখে উন্নত জীবন গড়ার সুযোগ পেয়েছে হাওরবাসী। এ সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হক কলেজের রজতজয়ন্তী উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।
হাওরে প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করে বেড়ে ওঠা রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ তার শৈশবের বিভিন্ন স্মৃতি তুলে ধরে বলেন, হাওরের মানুষ এক সময় লেখাপড়ার গুরুত্ব বুঝতো না। তারা বলতো স্কুল-কলেজ দিয়ে কি হবে। আজ সময়ের বাস্তবতায় প্রত্যন্ত গ্রামের শিশুরাও লেখাপড়ার গুরুত্ব বুঝতে পেরেছে।
শৈশবের স্মৃতিচারণ করে তিনি আরো বলেন, গুরুদয়াল কলেজের ভিপি থাকাকালে ১৯৬৭ সালে মিঠামইনে হাইস্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য হাওরের বিভিন্ন জায়গা থেকে ৪২ মণ ধান সংগ্রহ করেছিলাম।
সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহম্মদ তৌফিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া আসনের সংসদ সদস্য মো. সোহরাব উদ্দিন, বাজিতপুর-নিকলীর সংসদ সদস্য এম এ আফজাল, কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাড. জিল্লুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে তিনি তিনদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মিঠামইনে আসেন। দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে বিমানবাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে মিঠামইন উপজেলা হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন রাষ্ট্রপতি।
নূর মোহাম্মদ/এআরএ/পিআর
সর্বশেষ - দেশজুড়ে
- ১ গাজীপুরে পিকআপের সঙ্গে সংঘর্ষে বাইকচালক নিহত
- ২ প্রথমে অস্ত্র ছিনিয়ে র্যাব কর্মকর্তার পায়ে গুলি, পরে পিটিয়ে হত্যা
- ৩ সংস্কারের লক্ষ্যে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলা সময়ের দাবি: আলী রীয়াজ
- ৪ যাত্রীবাহী লঞ্চ থেকে জব্দ ৫০ মণ জাটকা এতিম-দুস্থদের মাঝে বিতরণ
- ৫ গণভোট আগামীর বাংলাদেশকে সামনের দিকে নিয়ে যাবে: আদিলুর রহমান