ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

কক্সবাজার জেলা আ.লীগ : দৃষ্টি এখন পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে

প্রকাশিত: ০৫:১০ এএম, ০৩ অক্টোবর ২০১৬

দীর্ঘ একযুগ পর চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন ও কাউন্সিল। গত কয়েক বছরে ৬-৭ বার সময় পরিবর্তন করে অনুষ্ঠেয় কাউন্সিলেই গোপন ব্যালটে সভাপতি-সম্পাদক নির্বাচিত হবেন এমনটি ধারণা ছিল সবার।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভাপতির নির্দেশনার কথা বলে সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম কক্সবাজারের নতুন সভাপতি হিসেবে অ্যাড. সিরাজুল মোস্তফা ও মুজিবুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করে চলে যান।

এরপর দীর্ঘ ৯ মাস কেটে গেছে। তবুও পূর্ণাঙ্গ কমিটির কোনো খবর নেই। সভাপতি-সম্পাদক দু’ব্যক্তি নির্ভর সংগঠনে পরিণত হয় জেলা আওয়ামী লীগ। ক্ষমতার কারণে ফুরফুরে থাকলেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি না হওয়ায় হতাশায় ভোগছেন তৃণমূলের ত্যাগী নেতা-কর্মীরা।

জেলার পূর্ণাঙ্গ কমিটি যেমন করার উদ্যোগ নেয়া হয়নি তেমনি পূর্ণাঙ্গ করা হয়নি কক্সবাজার পৌরসভা, পেকুয়া, কুতুবদিয়া, মহেশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি।

কিন্তু এরই মাঝে আসছে ২২-২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলন। সম্মেলনে কাউন্সিলর দিতে হবে। তাই এখন পূর্ণাঙ্গ কমিটি করতে তোড়-জোড় শুরু করেছেন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সম্পাদক। একদিকে কেন্দ্রীয় সম্মেলন অন্যদিকে জেলার পূর্ণাঙ্গ কমিটি উভয় নিয়ে টেনশনে সময় পার করছেন ত্যাগী ও সুবিধাভোগী নেতারা।

সদ্য সমাপ্ত সম্মেলন ও কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগ নেতা রাশেদুল ইসলামের মতে, জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি হবে ৭১ জনের। পুরো জেলায় দলের ত্যাগী নেতা রয়েছে অসংখ্য। সবাইকে এক সাথে কমিটিতে স্থান দেয়া দুরূহ।

চকরিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় কৃষকলীগ যুগ্ম-সম্পাদক রেজাউল করিম বলেন, দল ক্ষমতায়, তাই সুবিধাভোগীদের আনাগোনা বেশি। হাইব্রিড ও নব্য আওয়ামী লীগাররা জেলা কমিটিতে স্থান পাবে না এমনটি প্রত্যাশা করছি।

জেলা আওয়ামী লীগের বিদায়ী কমিটির সহ-সভাপতি সাবেক সাংসদ ও টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অধ্যাপক মুহাম্মদ আলী বলেন, পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষিত হলে দলে আরো গতিশীলতা আসবে।

কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. ফরিদুল আলম বলেন, প্রাজ্ঞ ও তারুণ্য নির্ভর কমিটি জেলা আওয়ামী লীগকে সু-সংগঠিত করবে। তেমনি বাড়াতে হবে স্বচ্ছ ইমেজের নারী নেতৃত্বও।

এ বিষয়ে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা বলেন, কক্সবাজার জেলার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নজর রয়েছে। তেমনিভাবে নজর রয়েছে কক্সবাজার আওয়ামী লীগের উপরও। তাই অনৈতিক সুবিধা নিয়ে বিতর্কিত কাউকে কমিটিতে স্থান দেয়া হবে না। ত্যাগী, প্রাজ্ঞ ও তারুণ্য নির্ভর একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে শিগগিরিই কেন্দ্রে প্রেরণ করা হবে।

এসএস/এমএস