ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

আ.লীগের তৃণমূলের ভোটে নির্বাচিত প্রার্থীকে মনোনয়ন না দেয়ায় হরতাল

প্রকাশিত: ০৫:১৩ পিএম, ০৪ অক্টোবর ২০১৬

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে তৃণমূলের ভোটে নির্বাচিত আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোতাহার হোসেন স্বপনকে দলীয় মনোনয়ন না দেয়ায় বুধবার পাকুন্দিয়ায় সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে তার সমর্থকেরা। মঙ্গলবার রাতে পাকুন্দিয়ায় বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশ থেকে এ কর্মসূচি দেয়া হয়।

পরে রাতে সাড়ে ৯টার দিকে হরতালের সমর্থনে মোতাহার হোসেন স্বপনের সমর্থকেরা পৌর এলাকার ডাকবাংলো থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এ সময় উত্তেজনা দেখা দিলেও পুলিশ প্রহরায় শেষ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি শেষ হয়।

মিছিল শেষে থানা মোড়ে সমাবেশ করে বিক্ষুদ্ধ সমর্থকেরা ‌‘দলের প্রার্থী পরিবর্তন না করা হলে’ আরো কঠোর কর্মসূচি নেয়া হবে বলে ঘোষণা দেয়। এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম রেনু।

উল্লেখ্য, আগামী ৩১ অক্টোবর পাকুন্দিয়া পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ৬ অক্টোবর মনোয়নপত্র দাখিল, ৮ অক্টোবর মনোনয়ন যাচাই-বাছাই ও ১৫ অক্টোবর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন।

সোমবার কিশোরগঞ্জ প্রেসক্লাবে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে পাকুন্দিয়া পৌর আওয়ামী লীগের সরাসরি ভোটের মাধ্যমে মেয়র প্রার্থী বাছাই করে মোতাহার হোসেন স্বপনের নাম কেন্দ্রে পাঠানো হয়।

তবে মঙ্গলবার বিকেলে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি তাকে বাদ দিয়ে পাকুন্দিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের কমান্ডার মিসবাহ উদ্দিনকে মেয়র হিসেবে দলীয় মনোনয়ন দেয়। এ খবর এলাকায় পৌঁছলে মোতাহার হোসেনের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।

তৃণমূলের ভোটে নির্বাচিত মেয়র প্রার্থী মো. মোতাহার হোসেন স্বপন বলেন, ‘তৃণমূলের মতামতকে উপেক্ষা করে জনবিচ্ছিন্ন একজনকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। তাই আমার সমর্থকরা ক্ষুব্ধ হয়ে হরতাল ডেকেছে। মোটা অংকের টাকায় মনোনয়ন বিক্রি করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।’

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. কামরুল আহসান শাহজাহান বলেন, ‘দলের নির্দেশ মতো আমরা তৃণমূলের ভোট নিয়েছি। তৃণমূলের ভোটে বিজয়ী মোতাহার হোসেন স্বপনের নাম কেন্দ্রে পাঠিয়েছি। আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করেছি। কিন্তু চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়ার এখতিয়ার কেন্দ্রের হাতে। এখানে আমাদের কিছুই করার নেই।’

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ১৩ অক্টোবর পাকুন্দিয়া পৌরসভার প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। গত ২৩ ডিসেম্বর জেলার অন্য ৭টি পৌরসভায় নির্বাচন হলেও, সীমানা নিয়ে জটিলতা থাকায় তখন এ পৌরসভার নির্বাচন করা যায়নি।

নূর মোহাম্মদ/বিএ