ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

বগুড়ায় নৈশ প্রহরী হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ৬

প্রকাশিত: ১১:৫৫ এএম, ০৬ অক্টোবর ২০১৬

বগুড়ার কাহালু উপজেলায় পৃথক ঘটনায় দুই নৈশ প্রহরী আব্দুল জব্বার (৫৫) ও আবুল কালাম (৫৫) হত্যাকাণ্ড ও প্রতিষ্ঠানের মালামাল ডাকাতির ঘটনার রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে এই ঘটনায় ৬ জনকে গ্রেফতার ও লুট করা মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বগুড়ার পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান।

তিনি জানান, কাহালুর পোড়াপাড়া বিমানবন্দর এলাকার মেসার্স এ রহমান মেটাল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপে নৈশ প্রহরী আব্দুল জব্বারকে গত ২৬ আগস্ট হত্যা করে সশস্ত্র ডাকাত দল। এরপর ওই প্রতিষ্ঠানের সাতটি বৈদ্যুতিক মোটর, একটি সাবমারসিবল পাম্প, একটি ওয়েলডিং মেশিন, জেনারেটর, সিসি ক্যামেরা, তিনটি এ্যালুমিনিয়াম ডাইসসহ অন্যান্য মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

এদিকে, এই ঘটনার কিছুদিন পর ৯ সেপ্টেম্বর কাহালুর পাবহারা গ্রামের জাহাঙ্গীর মুরগির ফার্মের নলকূপের বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমারের তামার তার চুরি করার সময় নৈশ প্রহরী আবুল কালামকে হত্যা করা হয়।

ওই ঘটনায় অভিযান চালিয়ে বুধবার গভীর রাতে গাবতলী উপজেলার কদমতলী গ্রামের সেলিমকে (২০) গ্রেফতার করা হয়। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী শহরের গোদারপাড়া এলাকার সিএনজি ড্রাইভার বাবুলকে (৪৫) শহরের চারমাথা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বাবুল ও সেলিম জানায়, গাবতলী উপজেলার বাসিন্দা ডাকাতদলের নেতা ঝন্টুসহ ১০/১২ জন মেসার্স এ রহমান মেটাল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডাকাতির পরিকল্পনা করে। তারা ঘটনার রাতে চারমাথা এলাকায় একত্রিত হয়ে হামলা করে। ডাকাতিকালে ডাকাত সেলিম নৈশ প্রহরী আব্দুল জোব্বারকে মাথায় আঘাত করলে তিনি মারা যান।

পুলিশ সুপার আরো জানান, ডাকাতদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী শহরের কালিতলা থেকে ব্যবসায়ী মাসুদুল হক জিবুর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে জিবুকে গ্রেফতারসহ ডাকাতির মালামাল উদ্ধার করা হয়। আর জাহাঙ্গীর মুরগির ফার্মে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফার্মের তামার তার বগুড়া শহরের চকসুত্রাপুর এলাকার এসএম এন্টারপ্রাইজের মালিক এসএম মোর্শেদ তুলিপ (৪৫), ও তার ভাই রেদওয়ানুল মোর্শেদ ওরফে রাহাতের (৩৩) দোকান থেকে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান জানান, এসএম মোর্শেদ তুলিপ ও তার ভাই রেদওয়ান মোর্শেদ রাহাদ ডাকাতদের মালামাল ক্রয়ের জন্য আগাম টাকা দিতো। এই দুইটি মামলায় সেলিম, বাবুল, জিবু, আছির, তুলিপ ও রাহাদকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

এআরএ/পিআর