ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

কুড়িয়ে পাওয়া শিশুটির দায়িত্ব নিতে চান অনেকেই

প্রকাশিত: ০৮:১৪ পিএম, ১৪ অক্টোবর ২০১৬

সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা পল্লীবিদ্যুৎ এলাকার একটি রাস্তার পাশে ঝোপের মধ্যে কুড়িয়ে পাওয়া সেই কন্যা শিশুটির নাম রাখা হয়েছে অর্পিতা। পাটকেলঘাটা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিবুল ইসলামের তত্ত্বাবাধায়নে থাকা শিশুটি বর্তমানে স্বাভাবিক ও সম্পূর্ণরুপে সুস্থ রয়েছে। শুক্রবার পর্যন্ত নবজাতকের আসল পরিচয় না পাওয়া গেলেও বাচ্চাটির দায়িত্বভার গ্রহণের জন্য ২৬ জন আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

এর আগে গত মঙ্গলবার কে বা কারা পলিথিনে মুড়িয়ে বাচ্চাটিকে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে চলে যায়। কান্নার শব্দ শুনে পথচারীদের দৃষ্টিতে আসে শিশুটি। পথচারীরা থানায় খবর দিলে পাটকেলঘাটা থানা পুলিশের ওসি মহিবুল নিজেই বাচ্চাটিকে উদ্ধার করে পাশের লোকনাথ নার্সিং হোমে ভর্তি করেন।

শিশুটির সার্বিক দেখাশুনা করেন ওসি নিজেই। প্রথম দিনেই ওসি মহিবুল ইসলাম বাচ্ছাটির খাওয়ার জন্য দুধ কিনে দেন। প্রতিদিন শত ব্যস্ততার মাঝে একবার ক্লিনিকে গিয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছেন শিশুটির।

ক্লিনিক সূত্রে জানা যায়, শিশুটিকে ক্লিনিকে স্থানীয় বারাত গ্রামের গফফার শেখের স্ত্রী হীরা মণি বুকের দুধ পান করাচ্ছেন।
লোকনাথ নার্সিং হোমের পরিচালক পুলক কুমার পাল জানান, নবজাতকের সার্বিক তদারকিতে সিনিয়র নার্স মমতাজ ও সহকারী তৃষা সর্বদা নিয়োজিত রয়েছে। এ পর্যন্ত ২৬ জন শিশুটির দায়িত্ব নেয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করে নাম লিখিয়েছেন।

শিশুটির দায়িত্বভার নিতে আগ্রহীদের মধ্যে জেলা প্রশাসক, থানা পুলিশের ওসি, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা রয়েছেন। প্রাপ্ত নামের তালিকা যাচাই-বাছাই করে যে কোনো একজনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হবে শিশুটিকে।

পাটকেলঘাটা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিবুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, অনেকেই বাচ্চাটিকে নেয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। আগ্রহীদের মধ্যে এক দম্পতি খুলনার একটি কলেজের গণিত বিষয়ের সহকারী প্রভাষক ও তার স্বামী বিশিষ্ট লেখক, গীতিকার। তারা নিঃসন্তান। আমি মনের দিক থেকে তাকে সমর্থন করি। তবুও বিষয়টি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। যেন শিশুটির ভবিষ্যত সুন্দর হয়। শিশুটির নাম রেখেছি অর্পিতা। শিশুটি বড় হয়ে যদি পরিবর্তন করতে চায় তখন করতে পারবে।


আকরামুল ইসলাম/এএম

আরও পড়ুন