ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

আ.লীগে প্রার্থীর ছড়াছড়ি, বিএনপি কেন্দ্রের অপেক্ষায়

প্রকাশিত: ০৩:২১ এএম, ২৫ অক্টোবর ২০১৬

চলতি বছরের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে জেলা পরিষদ নির্বাচন। আর এরই মধ্যে কে হচ্ছেন আগামীর ফেনীর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তা নিয়ে চলছে আলাপ আলোচনা। দল থেকে চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়া ব্যক্তিই চেয়ারম্যান নিযুক্ত হবেন বিষয়টি নিশ্চিত।

সে হিসেবে ফেনীতে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সিংহভাগই আওয়ামী লীগের। ফলে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়া ব্যক্তি অভিষিক্ত হবেন এ পদে।

আওয়ামী লীগে জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীর ছড়াছড়ি থাকলেও বিএনপি জামায়াত নির্বাচনে অংশ নিবে কিনা কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন। আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে খায়রুল বাশার তপনের নাম জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে।

বর্তমান জেলা পরিষদ প্রশাসক আজিজ আহমদ চৌধুরী তো আলোচনা আছেই। এছাড়া আওয়ামী লীগ থেকে জেলা কমিটির সহ-সভাপতি অ্যাড.আকরামুজ্জামানও আছে আলোচনায়।

আওয়ামী লীগের এক সিনিয়র নেতা জানান, ফেনী সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুর রহমান বিকম উপজেলা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করে জেলা পরিষদে প্রার্থী হতে পারেন।

আলোচনায় শীর্ষে থাকা খায়রুল বাশার তপন ২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারি ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ও প্রতীক লাভ করেন। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।

২০১৪ সালে উপজেলা নির্বাচনে ফেনী-১ নির্বাচনী এলাকায় দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি। তিনি ১৯৯৬ থেকে ২০১২ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের সদস্য ছিলেন। ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী দলীয় প্রার্থীর পক্ষ্যে প্রধান নির্বাচনী এজেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা আলাউদ্দিন আহমদ চৌধুরীর আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত।

এদিকে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন মিস্টার জানান, যদি দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া বা দলের হাইকমান্ডের পক্ষ থেকে কোনো নির্দেশনা আসে তাহলে আমরা জেলা বিএনপি সে মোতাবেক কাজ করবো।

BNP

বিএনপির একাধিক নেতা মনে করেন, ইতোমধ্যে পৌর, উপজেলা ও ইউপি নির্বাচনে যেভাবে ভোট ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে এবং যারা নির্বাচিত হয়েছেন তারা বেশির ভাগ আওয়ামী লীগের লোক ও ভোটার। এ নির্বাচন বিএনপির জয়ের সম্ভাবনা নেই বলে তারা জানান। বিএনপি এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে আওয়ামী লীগের নির্বাচনকে বৈধতা দেয়া হবে বলে তারা জানায়।

একই অভিমত জেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দের। জেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির মাস্টার শাসমুদ্দিন বলেন, জেলা পরিষদ নির্বাচন জনমতের প্রতিফলন হবে না।

জেলা পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ফেনী-২ আসনের সাবেক সাংসদ জয়নাল হাজারীর নাম ফেনীতে শোনা গেলেও এ ব্যাপারে তার মতামতের জন্য গতকাল রাতে তার মুঠোফোনে বার বার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক আজিজ আহাম্মদ চৌধুরী বলেন, আমি দলের কাছে মনোনয়ন চাইবো। দলের বাইরে যাবো না। দল যাকে মনোনয়ন দেয় সেই নির্বাচন করবে।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুর রহমান বিকম জানান, জেলা পরিষদ নির্বাচনের জন্য দলীয় ও ব্যক্তিগতভাবে আমাদের প্রস্তুতি চলছে। দলীয় সভানেত্রী যে সিদ্ধান্ত দেবেন আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতাকর্মী সেভাবেই দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবে।

জহিরুল হক মিলু/এসএস/এমএস