ভূমি কমিশনে ১৫ হাজার আবেদন
পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমিবিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের আবেদন জমা দেয়ার শেষ দিনে প্রত্যাশার চেয়েও বেশি আবেদন জমা পড়েছে কমিশন কার্যালয়ে।
আবেদনপত্র জমা দেয়ার শেষদিন সোমবার (২৪ অক্টোবর) ১৪ হাজার ৮২০টি আবেদনপত্র জমা পড়েছে। এদিন বিকেল ৪টা পর্যন্ত আবেদন জমা দেয়ার শেষ সময় থাকলেও আবেদনকারীদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় বিকাল ৫টা পর্যন্ত আবেদনপত্র গ্রহণ করা হয়।
পার্বত্য চট্টগ্রামের বিরাজমান ভূমিবিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ক্ষতিগ্রস্তদের ৪৫দিনের মধ্যে আবেদন চেয়ে চলতি বছরের ০৮ সেপ্টেম্বর গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমিবিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের সচিব মো. রেজাউল করিম।
এর আগে গেল কমিশন চেয়ারম্যান বিচারপতি খাদেমুল ইসলামের মেয়াদে আরো এক দফা গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হলে সে সময় ৪ হাজার ৪০৮টি আবেদন কমিশনে জমা পড়ে।
এদিকে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমিবিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের দ্বিতীয় বৈঠক আগামী ৩০ অক্টোবর রাঙামাটি সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত হবে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কমিশনের এক কর্মকর্তা। ওই বৈঠকে আবেদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হতে পারে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।
এদিকে রাঙামাটি ও বান্দরবানে কমিশনের কোন কার্যালয় না থাকায় এ দুই জেলা থেকেও অনেকেই কমিশন কার্যালয়ে আবেদন জমা দিতে এসছেন। ফলে দুই জেলা থেকে আসা আবেদনকারীদের বাড়তি ভোগান্তিতে পড়তে দেখা গেছে। অন্যদিকে কমিশন কার্যালয়ে পর্যাপ্ত লোকবল না থাকায় তাদেরও অতিরিক্ত বেগ পেতে হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির আলোকে গঠিত হয় পার্বত্য ভূমিবিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন-২০০১। শুরু থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) এ আইনের বিরোধিতা করে আসছিলেন।
মুজিবুর রহমান ভুইয়া/এএম/এবিএস
সর্বশেষ - দেশজুড়ে
- ১ ইব্রাহিম নবীর কোরবানির চেয়েও জামায়াত নেতার কোরবানি বড়!
- ২ চা বাগানের ৬৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষাবঞ্চিত ৯ হাজার শিশু
- ৩ খালেদা জিয়ার দোয়া অনুষ্ঠানে বিএনপির দুই গ্রুপের হট্টগোল
- ৪ দুই ঠিকাদারের ঠেলাঠেলিতে আটকা ২০ ফুট রাস্তা, দুর্ভোগে শহরবাসী
- ৫ ধানি জমি ধ্বংস করে অবাধে পুকুর খনন, জলাবদ্ধতায় হাজারো কৃষক