আগাম ফুলকপি চাষে লাভবান কৃষক
শীত আসার আগেই মেহেরপুরের বাজারে উঠতে শুরু করেছে আগাম ফুলকপি। কপি চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষকেরা। আবহাওয়া ভালো থাকায় এবার ফলনও হয়েছে ভালো। চাহিদা থাকায় ব্যবসায়ীরা জমি থেকেই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন ফুলকপি। কৃষি বিভাগ থেকেও পর্যায়ক্রমে সবজি চাষ করার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।
সাধারণত পৌষ মাস থেকে বাজারে উঠতে শুরু করে কপি। কিন্তু শীতের আগেই মেহেরপুরের বিভিন্ন মাঠে উঠতে শুরু করেছে ফুলকপি। মাঠজুড়ে দেখা যাচ্ছে ফুলকপির চাষ। বাইরের জেলাতে এর চাহিদাও রয়েছে বেশ। এখানকার উৎপাদিত কপি চলে যাচ্ছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়।
আগাম কপির চাষে একটু বেশি অর্থ গুনতে হয় কৃষকদের। কিন্তু বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় লাভবানও হচ্ছেন তারা। বিঘাপ্রতি জমিতে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ হয় আগাম কপি চাষে। আর বর্তমান বাজার দরে বিঘাপ্রতি কপি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকায়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের হিসাব মতে, জেলায় এবার প্রায় ২৩০ হেক্টর জমিতে আগাম ফুলকপির আবাদ হয়েছে।
মেহেরপুরের আলমপুর গ্রামের চাষি শামিম রেজা জাগো নিউজকে জানান, আগাম কপি চাষে প্রথমদিকে পাতা পচা রোগ ও পোকার আক্রমণ দেখা দেয়। কিন্তু কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের পরামর্শে ছত্রাকনাশক ও কীটনাশক প্রয়োগ করে সফলতা পেয়েছেন কৃষকেরা।
মেহেরপুরের সবজি ব্যবসায়ী রায়হান হোসেন জাগো নিউজকে জানান, বাইরের জেলাতে ফুলকপির চাহিদা রয়েছে। ফলে ব্যবসায়ীরা জমি থেকে কপি কিনে দেশের বিভন্ন জেলায় সরবরাহ করছেন। এতে কৃষকদের পাশাপাশি ব্যবসায়ীরাও লাভবান হচ্ছেন।
মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক এসএম মোস্তাফিজুর রহমান জাগো নিউজকে জানান, কৃষকেরা যাতে সবজি চাষ করে লাভবান হয়, সেই লক্ষে পর্যায়ক্রমে সবজি চাষ করার পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ। আগাম কপিতে ঝুঁকি থাকলেও কৃষি বিভাগের পরামর্শে সফলতা পাচ্ছে বলে দাবি কৃষি বিভাগের।
আসিফ ইকবাল/এফএ/এবিএস