ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

কে হচ্ছেন কিশোরগঞ্জ বিএনপির সভাপতি-সম্পাদক

প্রকাশিত: ০৪:৪৫ এএম, ১৩ নভেম্বর ২০১৬

কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি বহু ধারায় বিভক্ত। পিছু ছাড়ছে না দলীয় কোন্দল। বিচ্ছিন্নভাবে সরকারবিরোধী আন্দোলন কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে দলের অসংখ্য নেতাকর্মী মামলার বেড়াজালে। সর্বশেষ জেলা বিএনপির সম্মেলন হয়েছিল প্রায় পাঁচ বছর আগে। জেলা কমিটির শীর্ষ নেতৃত্বের বেশিরভাগই থাকেন ঢাকায়। তাই অনেকটা ঝিমিয়ে পড়েছে কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির কার্যক্রম।

এ অবস্থায় কেন্দ্র থেকে বেঁধে দেয়া ডেটলাইন অনুযায়ী আগামী ২২ নভেম্বর জেলা বিএনপির সম্মেলনকে ঘিরে হঠাৎ করেই চাঙা ভাব নেতাকর্মীদের মাঝে। শুরু হয়ে গেছে প্রস্তুতি। নতুন কমিটির নেতৃত্ব পেতে শুরু হয়েছে তোড়জোর। বিশেষ করে কে হচ্ছেন নতুন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক- এ নিয়ে চলছে তুখোড় আলোচনা।

কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অসীম সরকার বাধন জানান, সম্মেলনের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচনের জন্য দলের নেতাকর্মীরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তিনি মনে করেন, এলাকায় সব সময় পাওয়া যায়, এমন শীর্ষ নেতা নির্বাচিত হওয়া উচিত।

জানা গেছে, সর্বশেষ ২০১০ সালে  সম্মেলনে অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান সভাপতি, শিল্পপতি শরীফুল আলমকে সহ-সভাপতি ও মো. মাজহারুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক করে জেলা বিএনপির কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, সহ-সভাপতি মো. শরীফুল আলমসহ শীর্ষ পর্যায়ের অন্তত ১০ জন নেতা ঢাকায় অবস্থান করায় দলের কার্যক্রম খুব একটা গতি পায়নি।

এ সময় দলের সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অসীম সরকার বাধন এলাকায় থেকে দলের কার্যক্রম ধরে রাখার চেষ্টা করেন। দলের কোনো কার্যালয় না থাকায় জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত ঢাকা বিভাগীয় স্পেশাল জজ মো. রেজাউল করিম খান চুন্নু তার ব্যক্তিগত একটি ঘরে উপজেলা বিএনপির কার্যালয় স্থাপন করেন। সেখানেই দলের বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়ে আসছে।

জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এবং জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. শরীফুল আলম ময়মনসিংহ বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ পাওয়ায় তারা জেলা কমিটিতে থাকছেন না বলে জানিয়েছেন।

জেলা বিএনপির সম্মেলনে সভাপতি পদে যাদের নাম আলোচিত হচ্ছে তারা হলেন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত ঢাকা বিভাগীয় স্পেশাল জজ মো. রেজাউল করিম খান চুন্নু, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মো. মাজহারুল ইসলাম, সাবেক এমপি মাসুদ হিলালী, মো. আমিরুজ্জামান, জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আঈম ওয়ালী উল্লাহ।

সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অসীম সরকার বাধন, খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইসরাইল মিয়া ও জেলা যুবদলের সভাপতি এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শরীফুল ইসলামের নাম শোনা যাচ্ছে।

জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান জানান, সম্মেলনের জন্য আমরা প্রস্তুত। প্রশাসনের কাছে অনুমতির জন্য আবেদন করেছি। কিন্তু এখনও অনুমতি পাইনি।

নূর মোহাম্মদ/এফএ/এমএস