ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

আলোচিত সাত খুন : ২৮ আসামির পক্ষে যুক্তিতর্ক সম্পন্ন

প্রকাশিত: ১২:১৭ পিএম, ২৮ নভেম্বর ২০১৬

নারায়ণগঞ্জে আলোচিত সাত খুন মামলায় চতুর্থ দিনে আরো ছয় আসামির পক্ষে যুক্তিতর্ক সম্পন্ন হয়েছে। এ নিয়ে যুক্তিতর্কের চারদিনে ২৮ জন আসামির যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। যুক্তিতর্কে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের আসামিদের নির্দোষ দাবি করেন।

সোমবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত গ্রেফতারকৃত ২৩ আসামির উপস্থিতিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালতে মামলার অন্যতম আসামি র‌্যাবের চাকরিচ্যুত সেনা কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ সাঈদসহ ছয়জনের যুক্তিতর্ক সম্পন্ন হয়।
 
আদালত সূত্রে জানা গেছে, সোমবার তারেক মোহাম্মদ সাঈদের পক্ষে যুক্তিতর্ক পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট সুলতানুজ্জামান ও অ্যাডভোকেট সাহাব উদ্দীন। এছাড়াও সিপাহি আবু তৈয়্যব, কনস্টেবল সিহাবউদ্দীন, হাবিলদার এমদাদুল হক ও নাসিরউদ্দীনের পক্ষে যুক্তিতর্ক পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান। এসআই পুর্নেন্দু বালার পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট হরেন্দ্র নাথ মণ্ডল।
 
যুক্তিকর্তে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা আসামিদের নির্দোষ দাবি করে বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরেন। এছাড়াও সাতজনকে হত্যা, অপহরণ ও গুমের ঘটনায় আসামিরা জড়িত নয় বলেও দাবি করেন আইনজীবীরা। আর এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আইনজীবীরা আসামিদের পক্ষে বিভিন্ন যুক্তি দেখান। ওই সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এসএম ওয়াজেদ আলী খোকনের সঙ্গে একাধিকবার আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তর্কে জড়ান।
 
নারায়ণগঞ্জ আদালতের পিপি ওয়াজেদ আলী খোকন জানান, মঙ্গলবার যুক্তিতর্কের জন্য আবারাও দিন ধার্য করেছেন আদালত।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ফতুল্লা খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামের সামনে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজনকে অপহরণ করেন র‌্যাব-১১ এর বিপথগামী সদস্যরা। এরপর হত্যা শেষে ইট বেঁধে প্রত্যেকের লাশ শীতলক্ষ্যা নদীতে ডুবিয়ে দেয়া হয়। পরে একে একে প্রত্যেকের লাশ ভেসে ওঠে। এ ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় প্রথমে বাদী হয়ে একটি মামলা করেন নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি এবং পরে আরো একটি মামলা করেন নিহত আইনজীবী চন্দন সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পাল। দুটি মামলার চার্জশিটে অভিন্ন ৩৫ জনকে আসামি করা হয়। এর মধ্যে ২৩ জন গ্রেফতার ও ১২ জন এখনো পলাতক।

শাহাদাত হোসেন/আরএআর/আরআইপি