নাসিরনগরে তাণ্ডব : আসামি বিল্লালের স্বীকারোক্তি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পবিত্র কাবা শরিফকে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র পোস্ট দেয়ার ঘটাকে কেন্দ্র করে হিন্দুপল্লীতে চালানো হামলার ঘটনার অন্যতম হোতা হাজি বিল্লাল হোসেন (৩৫) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
সোমবার বিকেলে বিল্লাল হোসেন অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শফিকুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
বিল্লাল হোসেন নাসিরনগর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি। তিনি হরিপুর ইউনিয়নের পালবাড়ী এলাকার তাজউদ্দিনের ছেলে।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হাজি বিল্লাল হোসেন হিন্দুপল্লীতে চালানো হামলার ঘটনার অন্যতম হোতা।
স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বিল্লাল জানান, হিন্দুপল্লীতে চালানো হামলার ঘটনায় জড়িত ছিল এবং হামলায় অংশ নেয়ার জন্য ট্রাক ভাড়া করে লোকও সরবরাহ করে।
তিনি আরো জানান, স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণের পর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে রোববার রাত সাড়ে ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুগঞ্জ থেকে হাজি বিল্লাল হোসেনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে সোমবার বিকেলে তাকে আদালতে তোলা হয়।
উল্লেখ্য, ফেসবুকে পবিত্র কাবা শরিফ নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র পোস্ট দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ৩০ অক্টোবর দুষ্কৃতকারীরা নাসিরনগর উপজেলা সদরে হিন্দুপল্লীতে হামলা চালায়।
এসময় দুষ্কৃতকারীরা উপজেলার অন্তত ১০টি মন্দির ও শতাধিক ঘর-বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর এবং লুটপাট করে।
এরপর ৪ নভেম্বর ভোরে ও ১৩ নভেম্বর ভোরে দুষ্কৃতকারীরা আবারো উপজেলা সদরে হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্তত ৬টি ঘর-বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। এসব ঘটনায় নাসিরনগর থানায় পৃথক আটটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলাগুলোতে এখন পর্যন্ত ১০১ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
আজিজুল সঞ্চয়/এআরএ/পিআর
সর্বশেষ - দেশজুড়ে
- ১ অন্যের জমিতে নির্বাচনি অফিস, দাঁড়িপাল্লার প্রার্থীকে শোকজ
- ২ বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী দোলা
- ৩ এক স্বৈরাচারকে সরিয়ে নতুন স্বৈরাচারকে বসানোর জন্য গণঅভ্যুত্থান করিনি
- ৪ শেরপুরে নিহত জামায়াত নেতা রেজাউল করিমের দাফন সম্পন্ন
- ৫ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-কুমিল্লায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন