ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

নূর হোসেনসহ ৩ জনের যুক্তিতর্ক সম্পন্ন

প্রকাশিত: ০১:৫৭ পিএম, ২৯ নভেম্বর ২০১৬

নারায়ণগঞ্জে চাঞ্চল্যকর সাত খুন মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেন, তার গাড়ি চালক মিজানুর রহমান দিপু, চাকরিচ্যুত র‌্যাব কর্মকর্তা এম এম রানাসহ তিনজনের যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বেলা সোয়া ২টা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালতে যুক্তিতর্কে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

এদিকে সাত খুন মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনসহ ৩৫ জনের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওয়াজেদ আলী খোকন।

তিনি জানান, ব্যবসায়ী প্রতিপক্ষ হিসেবে নূর হোসেনের পরিকল্পনায় কাউন্সিলর নজরুলসহ সাতজনকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়েছে তা আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার নূর হোসেনের পক্ষে মহানগর আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট খোকন সাহা, অবসরে পাঠানো নৌবাহিনী কর্মকর্তা চাকরিচ্যুত এম এম রানার পক্ষে আব্বাসউদ্দিন ও নূর হোসেনের গাড়িচালক মিজানুর রহমান দিপুর পক্ষে লুৎফর রহমান আকন্দ যুক্তিতর্ক তুলে ধরেন।

তাদের মধ্যে খোকন সাহা আদালতকে বলেন, চাঞ্চল্যকর দুটি মামলায় ১০৬ জন সাক্ষ্য দিলেও কেউ নূর হোসেনের নাম বলেনি। তাছাড়া হত্যাকাণ্ডে নূর হোসেন জড়িত এমন কোন সুস্পষ্ট প্রমাণ করতে পারেনি রাষ্ট্রপক্ষ। অপর দুই আসামি পক্ষের আইনজীবীরাও তাদের নির্দোষ প্রমাণে যুক্তিতর্ক তুলে ধরেন।  

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওয়াজেদ আলী খোকন জানান, মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনসহ ৩৫ জন আসামির সর্বোচ্চ শাস্তির মৃত্যুদণ্ড হওয়ার জন্য সব ধরনের তথ্য আদালতে উপাস্থাপন করা হয়েছে। আশা করছি আসামিদের সাত খুন মামলার রায়ে সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ফতুল্লা খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামের সামনে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাত জনকে অপহরণ করা হয়।

এরপর তাদের হত্যা করে মরদেহ শীতলক্ষা নদীতে ডুবিয়ে দেয়া হয়। পরে একে একে প্রত্যেকের মরদেহ ভেসে উঠে। এ ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় প্রথমে বাদী হয়ে মামলা করেন নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি এবং পরে আরো একটি মামলা করেন নিহত আইনজী চন্দন সরকারের মেয়ে জামাতা বিজয় কুমার পাল।

দুই মামলার চার্জশিটে (অভিযোগপত্র) অভিন্ন ৩৫ জন করে আসামি করা হয়। এর মধ্যে ২৩ জন গ্রেফতার ও ১২ জন এখনো পলাতক আছে।

মো. শাহাদাত হোসেন/এএম/আরআইপি