ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

হবিগঞ্জ মুক্তদিবস নিয়ে ধূম্রজাল!

প্রকাশিত: ০৭:০৪ এএম, ০৬ ডিসেম্বর ২০১৬

হবিগঞ্জ মুক্তদিবস নিয়ে এখনও ধূম্রজাল রয়ে গেছে। স্বাধীনতার ৪৫ বছর পরও এ নিয়ে ধোয়াশা কাটেনি। মুক্তিযোদ্ধাদের কেউ বলছেন ৬ ডিসেম্বর এ জেলা শত্রুমুক্ত হয়েছিল। আবার কেউ বলছেন ৭ ডিসেম্বর।

প্রায় ৮ বছর আগ পর্যন্ত ৭ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ মুক্তদিবস পালন করা হয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই ২০০৮ সাল থেকে তা ৬ ডিসেম্বর পালন করা হচ্ছে। মুক্তদিবস সম্পর্কিত বিভিন্ন কাগজপত্র পর্যালোচনা এবং একাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ জাহেদুল ইসলাম জানান, এটি বড়ই দুঃখজনক যে ইতিহাস বিকৃতি করা হচ্ছে। নতুন প্রজন্মের কাছে ভুল বার্তা দেয়া হচ্ছে।

Habigonj

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই আমরা ৭ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ মুক্তদিবস পালন করে আসছি। অথচ একটি পক্ষ হঠাৎ করেই কয়েক বছর পূর্বে থেকে নিজেদের কৃতিত্ব নেয়ার জন্য ৬ ডিসেম্বর দিবসটি পালন করতে শুরু করে। যারা এখন ৬ ডিসেম্বর মুক্তদিবস পালন করছেন তারাই ২০০০ সালে স্থানীয় একটি সংবাদপত্রে বিবৃতি দিয়ে বলেছিলেন ৭ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ জেলা শত্রুমুক্ত হয়েছিল। এমনটি করে নতুন প্রজন্মকে বিভ্রান্ত না করতে আহ্বান জানান তিনি।

অপরদিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা সদর উপজেলা কমান্ডার আব্দুস শহীদ জানান, ২ ডিসেম্বর তারা ভারত থেকে বাংলাদেশে আসেন। এখান থেকে তারা চলে যান বানিয়াচং উপজেলার খাগাউড়া গ্রামে। সেখানে রাজাকার দুই ভাইকে হত্যা করে ৫ ডিসেম্বর তারা জেলা সদরের কাছে অবস্থান নেন।

Habigonj

৬ ডিসেম্বর ভোরে তারা খবর নিয়ে যানতে পারেন পাকিস্তানি বাহিনী শহর ছেড়ে চলে গেছে। এরপর সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে তারা মাছুলিয়া এলাকা দিয়ে খোয়াই নদী অতিক্রম করে শহরে প্রবেশ করেন। এসময় শহরবাসী জয়বাংলা স্লোগানে তাদের স্বাগত জানান।

তিনি বলেন, সৈয়দ জাহেদুল ইসলাম তো কিছু জানেনই না। তিনি তো মুক্তিযোদ্ধাই নন। তিনি কী জানেন।

জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডার অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী পাঠান জানান, ৬ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ জেলা শত্রুমুক্ত হয়েছিল। এ দিন মুক্তদিবস উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে।

সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন/এফএ/এমএস