ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

লক্ষ্মীপুরে বিদ্রোহীকে নিয়ে বিপাকে আ.লীগ

প্রকাশিত: ১০:০৩ এএম, ২২ ডিসেম্বর ২০১৬

লক্ষ্মীপুরে জমে উঠেছে জেলা পরিষদ নির্বাচন। চেয়ারম্যান, সদস্য ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডের প্রার্থীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন গণসংযোগ আর প্রচারণায়। ভোটারদের দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। চেয়ারম্যান পদে বিদ্রোহী প্রার্থীকে নিয়ে বিপাকে পড়েছে আওয়ামী লীগ।

কেন্দ্র ও জেলা নেতাদের অনুরোধে এক বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেও আরেক প্রার্থী নির্বাচনের মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের সমর্থন দেয়া হয় সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক মো. শামছুল ইসলামকে (আনারস)। এ পদে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এ নিয়ে সোমবার (১৯ ডিসেম্বর) জেলা স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হারুনুর রশিদ। কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতাদের অনুরোধে চেয়ারম্যান প্রার্থী রামগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. শাহজাহান (হেলিকপ্টার) নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

তবে কেন্দ্র ও জেলা নেতাদের অনুরোধে মন গলেনি জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এম আলাউদ্দিনের। তিনি ঘোড়া প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে লড়ছেন।

মো. শাহজাহান জানিয়েছেন, দলের বৃহৎ স্বার্থ, কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতাদের অনুরোধে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছি। আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে আমি কাজ করে যাবো। দলীয় নেতাকর্মী ও ভোটারদেরকেও এ সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়া হয়েছে।

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানায়, জেলা পরিষদের ১৫টি ওয়ার্ডে সদস্য পদে জেলা সদর, রামগঞ্জ, রায়পুর, কমলনগর ও রামগতিতে ৬৬ জন ও সংরক্ষিত ৫ টি ওয়ার্ডে ১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। চেয়ারম্যান পদে তিনজন প্রার্থী রয়েছেন। এ নির্বাচনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৮২৩ জন।

অন্যদিকে, চেয়ারম্যান, সদস্য ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডের প্রার্থীরা  বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদ কার্যালয় এবং ভোটারদের বাড়ি-বাড়ি গিয়ে ভোট চাইছেন। এখন ভোটারদের বেশ কদর। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। সদস্য প্রার্থীরা সবাই আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী।

এম আলাউদ্দিন বলেন, জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াতের কোন প্রার্থী নেই। ভোটারদের আহ্বানে আমি নির্বাচন করছি। তাদের ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে ভোটাররা সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন।

মো. শামছুল ইসলাম বলেন, দল আমাকে সমর্থন দিয়েছে। দলের নেতাকর্মী ও ভোটেররা আমার হয়ে কাজ করছেন। ভোটের মাঠে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে কেউ ফায়দা নিতে পারবে না।

এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকু বলেন, দলের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে আমরা গণসংযোগ ও প্রচারণা চালাচ্ছি।  শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত অমান্যকারীরা দলের কেউ নয়।

কাজল কায়েস/এএম/পিআর