ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

নোয়াখালীতে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে বিএনপির সম্মেলন পণ্ড

প্রকাশিত: ০২:৪৯ পিএম, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৬

নোয়াখালী জেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে নোয়াখালী শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এ ঘটনা ঘটে। এতে জেলা বিএনপির সম্মেলন পণ্ড হয়ে গেছে।  এঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, সম্মেলনের বাইরে দুই সভাপতি প্রার্থী হারুনুর রশিদ আযাদ ও মাহবুব আলমগীর আলোর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এসময় বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের বক্তব্য শেষে বিকেল সোয়া ৫টার দিকে কিছু উশৃঙ্খল যুবক সভাস্থলে প্রবেশ করে চেয়ার ভাঙচুর করে।। সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় শহর ছাত্রদলের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ চৌধুরী চয়নসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।  

এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থান পুলিশের  ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, এটার বিএনপির অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

noakhali

সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে- বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক হুইপ জয়নুল আবদীন ফারুক, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও নোয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্যা বুলুর স্ত্রী শামিমা বরকত লাকি, কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম, চট্রগ্রাম বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল উদ্দিন মজুমদার, হারুনুর রশিদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক  ও সভাপতি প্রার্থী হারুনুর রশিদ আযাদ।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, বিএনপি একটি বড় দল। কিছু সমস্যা থাকতেই পারে। প্রথম অধিবেশন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।  দ্বিতীয় কাউন্সিলিং সভা সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। দ্রুত সময়ে কাউন্সিলিং সভা করে কমিটি গঠন করা হবে।

এর আগে বিকেল ৩টার দিকে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যে এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন মওদুদ আহমদ।

মিজানুর রহমান/আরএআর/এমএস