চাঁদপুর জেলা ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটি বিলুপ্তির দাবি
বিবাহিতরা ছাত্রলীগের কমিটিতে থাকতে পারবে না গঠনতন্ত্রে এমন বিধি থাকলেও চাঁদপুরে বিবাহিত এক ছাত্রকে সাধারণ সম্পাদক করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
চাঁদপুর জেলা ছাত্রলীগের ঘোষিত কমিটি গঠনতন্ত্র পরিপন্থি বলে দাবি করেছে জেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক আরিফ হোসেন।
তিনি নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. পারভেজ করিম বাবু বিবাহিত বলে অভিযোগ করেন। একইসঙ্গে গঠনতন্ত্র পরিপন্থি নবগঠিত এ জেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করার জন্যও কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে একটি আবেদনপত্র পাঠিয়েছেন।
আবেদনপত্রে জেলা ছাত্রলীগের পক্ষে লেখা হয়েছে সহ-সম্পাদক আরিফ হোসেনের নাম। আবেদনের সঙ্গে ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক পারভেজ করিম বাবুর বিয়ের প্রমাণ হিসেবে নোটারি পাবলিকের কার্যালয়, চাঁদপুর -এর একটি এফিডেভিটের কপিও সংযুক্ত করা হয়।
ওই এফিডেভিটে দেখা যায়, চাঁদপুর শহরের তালতলা এলাকার মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে পারভেজ করিমের সঙ্গে পুরাণবাজারের পশ্চিম শ্রীরামদীর হাজী আবুল বাশারের মেয়ে নূসরাতজাহানের বিয়ে হয় ২০১১ সালের ২৮ এপ্রিল। এর এফিডেভিট করা হয় পরদিন ২৯ এপ্রিল।
এদিকে বিবাহিত ব্যক্তিকে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেয়ায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে।
জেলা ছাত্রলীগের এক নেতা জাগো নিউজকে বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রের ২৩ (ক) বিধিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, কোনো সদস্য বিয়ে করলে অথবা সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক/আহ্বায়ক/যুগ্ম আহ্বায়ক পদে মোট দু’বার বহাল থাকলে পরবর্তী নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অধিকার হারিয়ে ফেলবেন।
তিনি আরো বলেন, নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক ৫ বছর আগে বিয়ে করেছেন। তাই তাকে কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে বসানো ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রের পরিপন্থি।
ইকরাম চৌধুরী/এফএ/এমএস