ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

আঁখির ৭ দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ

জেলা প্রতিনিধি | ব্রাহ্মণবাড়িয়া | প্রকাশিত: ০৮:৫৯ এএম, ০৬ জানুয়ারি ২০১৭

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার সন্দেহভাজন মূলহোতা হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেওয়ান আতিকুর রহমান আঁখিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ।

শুক্রবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আঁখিকে জেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সরাফ উদ্দিনের আদালতে পাঠানো হয়। তবে শুক্রবার আদালতের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় আদালত খোলার পরই রিমান্ড আবেদনের শুনানি হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জেলা জজ আদালতের পুলিশ পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) মো. মাহবুবুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, নাসিরনগরের হামলার ঘটনা তদন্তে আঁখির সম্পৃক্ত থাকার যথেষ্ঠ প্রমাণ পুলিশের কাছে রয়েছে। তিনি নাসিরনগরে লোক সমাগমের জন্যে ট্রাক ভাড়া  করে সাধারণ মানুষকে উত্তেজিত করার জন্যে অর্থ লগ্নিও করেছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার ভোরে ঢাকার ভাটারা থানা এলাকা থেকে আঁখিকে আটক করে পুলিশ। এদিন বিকেল ৩টার দিকে ভাটারা থানা পুলিশ আঁখিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। এরপর গত ৩০ অক্টোবর নাসিরনগরের গৌরমন্দির ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আঁখিকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৯ অক্টোবর ফেসবুকে পবিত্র কাবা শরীফ নিয়ে ব্যাঙ্গচিত্র পোস্ট দেয়ার অভিযোগে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) মামলায় গ্রেফতার নাসিরনগর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের হরিণবেড় গ্রামের জগন্নাথ দাসের ছেলে রসরাজ (৩০) দাসের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল হয়ে ওঠে নাসিরনগর উপজেলা। পরদিন (৩০ অক্টোবর) মাইকিং করে সমাবেশ ডাকে দুটি ইসলামী সংগঠন।

সমাবেশ শেষ হওয়ার পরপরই দুষ্কৃতকারীরা নাসিরনগর উপজেলা সদরে হামলা চালিয়ে অন্তত ১০টি মন্দির ও শতাধিক ঘর-বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এরপর ৪ নভেম্বর ভোরে ও ১৩ নভেম্বর ভোরে দুষ্কৃতকারীরা আবারও উপজেলা সদরে হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্তত ৬টি ঘর-বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। এসব ঘটনায় নাসিরনগর থানায় পৃথক ৮টি মামলা দায়ের করা হয়। মামলাগুলোতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাসহ ১০৫ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

আজিজুল সঞ্চয়/আরএআর/পিআর