ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ধু-ধু বালুচর লাল সবুজে পরিণত

প্রকাশিত: ০২:৫৬ এএম, ১৮ মার্চ ২০১৫

গাইবান্ধার ব-যমুনা ও তিস্তা নদী বেষ্টিত বালুচরে নানাবিধ ফসলে ভরে উঠেছে। ফলে কৃষাণ-কৃষাণিদের মুখে ফুটেছে মধুর হাসি। ধু-ধু বালুচর পরিণত হয়েছে “লাল সবুজের বালুচরে”। চলতি মৌসুমে চরের বালুময় পতিত জমিতে পিট পদ্ধতিতে মিষ্টি কুমড়ার ভাল ফলন আশা করছেন কৃষকরা। বালুময় চরাঞ্চলের চারিদিক এখন শুধু সবুজের সমারোহ।

এছাড়াও ভরা মৌসুমে তিস্তার চরাঞ্চলগুলোতে মিষ্টি আলু, লাউ, তিল, তিশি, বাদাম, ভুট্টা, তামাক, গম, মরিচ, পেঁয়াজ, টমেটো ও বিভিন্ন জাতের ডালসহ ইরি-বোরো ধান চাষাবাদ হচ্ছে। জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, শ্রীপুর, চণ্ডিপুর, কাপাশিয়া ইউনিয়ন সংলগ্ন তিস্তার বালুময় চরাঞ্চলগুলোতে এ মৌসুমে পিট পদ্ধতিতে মিষ্টি কুমড়া চাষের প্রবণতা অনেক বেড়েছে। সাঘাটা উপজেলার সাংকিভাঙ্গা গ্রামের মনু মিয়া জানান, গত তিন বছরে মিষ্টি কুমড়া চাষ করে আর্থিকভাবে তারা যথেষ্ট লাভবান হয়েছেন। এর আগে তাদের সংসারে অভাব অনটন লেগেই ছিল। এখন তারা কিছুটা স্বচ্ছলতার মুখ দেখতে শুরু করেছেন। সুন্দরগঞ্জ উপজেলার লালচামার গ্রামের গোলাম মোস্তফার স্ত্রী রাশেদা বেগম জানান, আগে স্বামীর আয়ের উপর নির্ভর করে সংসারে দুঃখ কষ্টে তাদের দিন কাটতো।

এখন তিনি কুমড়া চাষ করার ফলে তাদের সংসারে সেই অবস্থার পরিবর্তন ঘটেছে। এছাড়াও তিনি মিষ্টি আলুর চাষ করে অনেকটাই লাভবান হয়েছেন। গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মীর আব্দুর রাজ্জাক জাগো নিউজকে জানান, চলতি মৌসুমে চরাঞ্চলসহ সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ৬শ’ ৫০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন রবি ফসলের চাষাবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ৫০ হেক্টর জমিতে কুমড়া চাষ হয়েছে। তিনি আরও জানান, নদী ভাঙ্গনে গৃহহারা পরিবারের যারা ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নিয়ে বসবাস করছে সেই পরিবারগুলোর দরিদ্র নারীরাই মিষ্টি কুমড়াসহ রবিশস্য চাষে এগিয়ে এসেছে।

এমজেড/আরআইপি