জমে উঠেছে পাবনা সুগার মিলের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন
সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে পাবনা সুগার মিলস লি. ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। চার বছর পর এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জেলা জুড়ে জমে উঠেছে এ নির্বাচন।
পৌষের কনকনে ঠাণ্ডা ও অসময়ের বৃষ্টি উপেক্ষা করে শেষ প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন প্রার্থীরা। পোস্টার ও ফেস্টুনে সাজ সাজ রব। এবারে অনেকটা ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা।
২০১২ সালের সর্বশেষ এ মিলে ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও ঠিক দুইদিন আগে ২৫ ডিসেম্বর নির্বাচন স্থগিত হলে শ্রমিক কর্মচারীদের মধ্যে হতাশার সৃষ্টি হয়।
২০১৭ আখ মাড়াই মৌসুমের উদ্বোধনের দিন ভূমিমন্ত্রীর স্ত্রী কামরুন্নাহার শরীফ শ্রমিকদের এক দাবির প্রেক্ষিতে আশ্বাস দিয়েছিলেন এবার নির্বাচন হবে। তারই প্রেক্ষিতে ১২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এ নির্বাচন।
এ নির্বাচনে মোট ভোটার রয়েছেন ৬৪২ জন। এছাড়া ১১টি পদে মোট ৩২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে সভাপতি পদে ৪ জন, সহ-সভাপতি ৬ জন, সাধারণ সম্পাদক পদে ২ জন, সাংগঠনিক সম্পাদক ২ জন, অর্থ সম্পাদক পদে ৪ জন, দফতর সম্পাদক পদে ২ জন, সদস্য (কারখানা) পদে ৫ জন, সদস্য (অফিস) পদে ৫ জন রয়েছে।
নির্বাচনের প্রধান দুই পদের মধ্যে সভাপতি পদে ইব্রাহিম হোসেন, বাবুল আলম বাবু, মো. সাজেদুল ইসলাম শাহীন ও আরিফুর রহমান আরিফ।
সাধারণ সম্পাদক পদে, আশরাফুজ্জামান উজ্জল ও আহমদ ঈদের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলে জানিয়েছেন সাধারণ ভোটাররা।
এছাড়া সহ-সভাপতি পদে ইমদাদূল হক মিঠু, এসকেন্দার আলী, আব্দুল মান্নান, আবুল কালাম আজাদ, নজরুল ইসলাম ও মামুন হোসেন রয়েছেন।
যুগ্ম সম্পাদক পদে জিল্লুর রহমান, নাদের আলী ও রবিউল ইসলাম রবি। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে জাহিদুল ইসলাম জাহিদ ও আয়নাল হক। দফতর সম্পাদক পদে ইমদাদুল হক চৌধুরী ও আফতাব আলী। অর্থ সম্পাদক পদে আকবর আলী বিশ্বাস, জাফিরুল ইসলাম পিয়াস, আব্দুল ওয়াহাব ও নজরুল ইসলাম মৃধা রয়েছেন।
পাশাপাশি দফতর সম্পাদক পদে আক্তার হোসেন ও ইমদাদুল হক। সদস্য (কারখানা) পদে রফিকুল ইসলাম রিপন, আব্দুল মান্নান, আব্দুল কুদ্দুস, আনোয়ারুল ইসলাম ও মো. খলিল। সদস্য (অফিস) পদে তৌহিদা খাতুন, রাশেদ মিয়া, মোকাম হোসেন, আব্দুল খালেক ও ফারুক হোসেন রয়েছেন।
উৎসবমুখর পরিবেশে গত নির্বাচনে যারা সামান্য ভোটে পরাজিত হয়েছিলেন তারা এবার শক্তভাবে এগোচ্ছেন বলে অনেকের ধারণা।
কেউ কেউ মনে করছেন, সফলতা আছে, ব্যর্থতা তো কিছু থাকবেেই। আবার কেউ কেউ বলছেন, সফলতা একটা তা হলো শ্রমিক নিয়োগ বাণিজ্য। তবে বেশিরভাগ ভোটাররা ভাবছেন মিল সংরক্ষণ, মিলের উন্নয়ন, শ্রমিকদের দুঃখ দূর্দশার সমাধান করতে পারেন।
যারা সব সময় মনে করেন, মিল থাকলে শ্রমিক বাঁচবে এবং আখ চাষে সকলকে উদ্বুদ্ধ করবে এবার ভোটে তাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করা হবে।
আলাউদ্দিন আহমেদ/এএম/আরআইপি
সর্বশেষ - দেশজুড়ে
- ১ সৎ-যোগ্য নেতাকে ভোট দিতে বলায় খতিবকে মারতে গেলেন মুসল্লিরা
- ২ যশোরে জামায়াতের মিছিল থেকে জাতীয় পার্টির প্রচারণায় হামলার অভিযোগ
- ৩ ‘বিএনপিতে যত রাজাকার আছে, জামায়াতে তার দশ ভাগের এক ভাগও নাই’
- ৪ আমাদের করা মামলায় শত শত আসামি নেই: শফিকুর রহমান
- ৫ জামায়াত কখনো সরকারে গিয়ে কাজ করেনি, বিএনপি পরীক্ষিত দল: ফখরুল