যশোর-কুষ্টিয়া মহাসড়কের বেহাল দশা
ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কের দৈর্ঘ্য ২৭ কিলোমিটার। অন্যদিকে ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়কের দৈর্ঘ্য ২৮ কিলোমিটার। ছোট-বড় হাজারো গর্তের কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটি এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এই সড়কে দিনের আলোয় কোনো রকমে চলাচল করা গেলেও রাতে চরম ঝুঁকি নিয়ে চলছে ছোট-বড় হাজারো যানবাহন। তবে এতে কর্তৃপক্ষের কোনো নজর নেই।
বাস ড্রাইভার সলেমান আলী জানান, দিনে একরকম ভাঙা-চোরা ও গর্ত পাশ কাটিয়ে চললেও রাতে আমাদের কিছুই করার থাকছে না। যাত্রীদের সঙ্গে প্রায় প্রতিদিনই ঝগড়া করতে হচ্ছে। গাড়িতে রোগী থাকলেতো রিকশা আর বাসের গতি একই রকম হয়ে যায়।
অপর এক ট্রাক ড্রাইভার জানান, এই সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক কারণ এই সড়ক দিয়েই স্থলবন্দর বেনাপোল থেকে যে মালামাল বাংলাদেশের ভেতর ঢোকে তার বেশিরভাগ মালই এ সড়কটি ব্যবহার করে সারা বাংলাদেশ ছড়িয়ে পড়ে। রাস্তা অত্যন্ত খারাপ হওয়ার জন্য আমাদের সময় বেশি লাগছে এবং আমাদের গাড়ি মেরামতের খরচ দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে।
ট্রাক ও বাসের ড্রাইভাররা জানান, এই রাস্তার ভাটই বাজার, শেখপাড়া বজারের আগের অংশ, লাউদিয়, তেতুলতলা বাজার, বিষয়খালী এলাকা, কয়ারগাছি, বেজপাড়া,বাকুলিয়া, মোবারকগঞ্জ চিনিকলের সামনে, কালীগঞ্জ কলেজ মোড়, বৈশাখী পেট্রোল পাম্প এলাকাসহ ঝিনাইদহ শহরের মুজিব চত্বর, আরাপপুর, আমতলাসহ আরও কয়েক যায়গায় মহাসড়কে ছোট-বড় হাজারো গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। তারা দ্রুত এর থেকে পরিত্রাণ চান।
এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ সেলিম আজাদ খাঁন জানান, গত বর্ষা মৌসুমে এই স্থানগুলো ভেঙে-চুরে ক্ষতি হয়েছে। দ্রুত টেন্ডার সম্পন্ন করে রাস্তা মেরামতের ব্যবস্থা করা হবে। তারা আপাতত যানবাহন চলাচলের উপযোগী করতে গর্ত ভরাটের কাজ করছেন।
আহমেদ নাসিম আনসারী/আরএআর/এমএস