পুরনো কর্মস্থল ঘুরে গেলেন অর্থমন্ত্রী
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত একদিনের সফরে বাগেরহাটের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র, মংলা বন্দর, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, ঐতিহ্যবাহী পিসি কলেজ ও নাগেরবাড়ি পরিদর্শন করেন।
পরে বাগেরহাট সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মংলা বন্দর ও সুন্দরবনের পর্যটন প্রসারের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাগেরহাট হবে একটি অর্থনৈতিক জোন।
দেশের অর্থনীতিতে বাগেরহাট একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ইতোমধ্যে এ সরকারের আমলে মংলা বন্দরকে গতিশীল করা হয়েছে। ইপিজেডে অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠন করা হয়েছে। এবার পর্যটন অঞ্চল হিসেবে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
এর আগে রামপালের তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, এটি নিয়ে অনেক কথা আছে, হৈ চৈ আছে। তবে এটি তার নিজস্ব গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। ২০১৮ সালেই এটি উৎপাদনে সক্ষম হবে। তিনি নিজেই এটি ঘুরে দেখেছেন বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের ফলে সুন্দরবনের কোনো ক্ষতি হবে না।
এরপর তিনি মংলা বন্দরের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি বলেন, এই সরকারের সময়ে মংলা বন্দরের উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়েছে। এই বন্দর আরও গতিশীল হয়েছে। বন্দর এখন লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। পদ্মাসেতু হচ্ছে। এই সেতু নির্মাণ শেষ হলে মংলা বন্দরের গুরুত্ব আরও অনেক অংশে বেড়ে যাবে।
রোববার বেলা পৌনে ১১টায় কুয়াকাটা থেকে হেলিকপ্টারে রামপালে নির্মাণাধীন কয়লাভিত্তিক ১৩২০ মেগাওয়াট মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্ট এলাকা পরিদর্শন করেন। পরে তিনে মংলা বন্দরে যান। দুপুরে হেলিকপ্টারে তিনি বাগেরহাট পৌঁছান।
দুপুরের পর তিনি মংলা থেকে তার পুরনো কর্মস্থল বাগেরহাট ডিসি অফিস (বর্তমানে ডিসি বাংলো) ঘুরে দেখেন। ১৯৫৭ থেকে ১৯৬০ সাল পর্যন্ত তিনি বাগেরহাটে এসডিও হিসেবে অনেক কাজ করেন। তার আমলে বাগেরহাট পিসি কলেজে বিএসসি ও বিকম চালু হয়।
অর্থমন্ত্রী বাগেরহাট পিসি কলেজেও কর্মরত থাকা অবস্থায় ছাত্রছাত্রীদের ক্লাস নিতেন। ডিসি বাংলো থেকে মন্ত্রী বিকেলে পিসি কলেজ পরিদর্শনে যান। সেখানে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এম এইচ এম এ ছালেক তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।
১৯৬০ সালের ৮ জানুয়ারি পিসি কলেজের বিজ্ঞান ভবনে তার সময়ের ভিত্তিপ্রস্তরের স্থানটি তিনে ঘুরে দেখেন। পরে বাগেরহাট শহরের জমিদার বাড়ি নাগেরবাড়িতে যান এবং সেখানে তার সময়ের নাগেরবাড়ি বাসাবাটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বর্তমানে নাগেরবাড়িতে হযরত ফাতেমা টেকনিক্যাল কলেজ পরিদর্শন করে হেলিকপ্টারযোগে বিকেল ৪টায় বাগেরহাট ত্যাগ করেন।
অর্থমন্ত্রীর বাগেরহাট শহরে পিসি কলেজ, নাগেরবাড়ি ও ডিসি অফিস পরিদর্শনকালে তার কাছে আত্মীয়সহ বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর শওকাত আলী বাদশা, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক তপন কুমার বিশ্বাস, পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায়সহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শওকত আলী বাবু/এআরএ/আরআইপি
সর্বশেষ - দেশজুড়ে
- ১ ঠাকুরগাঁওয়ে পরীক্ষার কাগজ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ বিএনপির নেতার বিরুদ্ধে
- ২ মাগুরায় মাথায় গাছের ডাল পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
- ৩ খুলনা বিভাগের ২৫টি আসন হাইজ্যাক করা হয়েছে: বিএনপি নেতা হাবিব
- ৪ প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে
- ৫ জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষে আহত কৃষকদল নেতার মৃত্যু, পরিস্থিতি থমথমে