ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ইজতেমা ময়দানে টিনের চাল ভেঙে অর্ধশতাধিক মুসল্লি আহত

প্রকাশিত: ১০:৩৫ এএম, ২৭ জানুয়ারি ২০১৭

গাজীপুর টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানের এক পাশে মজিদের টিনের চাল ভেঙে পড়ায় অর্ধ-শতাধিক মুসল্লি আহত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজের পর এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে ৬৪ জনকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এছাড়া গুরুতর আহত ইউসুফ আলী (৭০), চাঁন মিয়া (৭০), রমিজ উদ্দিন (৬০) ও বাদশা মিয়াকে (৬০) রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বিশ্ব ইজতেমা ময়দানের বাটা গেইটের পশ্চিমপাশে বিভিন্ন মালামাল রাখার স্থান ভান্ডার মসজিদে জুমার নামাজের পর শতাধিক মুসল্লি দুপুরের খাবারের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এসময় হঠাৎ করে মসজিদের বারান্দার টিনের চালা মুসল্লিদের ওপর ধসে পড়ে। এতে অর্ধ-শতাধিক মুসল্লি আহত হয়।

পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আহত মুসল্লিদের উদ্ধার করে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়।

টঙ্গী সরকারি হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক পারভেজ হোসেন জানান, আহতদের মধ্যে ৬৪ জনকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। চারজনকে রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।

টঙ্গী সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. মামুন বলেন, আহতদের অনেকেরই টিনের আঘাতে শরীরের বিভিন্ন কেটে গেছে।

gazipur

ইজতেমা ময়দানে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল হাসপাতালে ছুটে যান। তিনি মুসল্লিদের চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন।

এসময় সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল জানান, জুমার নামাজের পর দুপুর সোয়া ২টার দিকে হঠাৎ করে টিনের চাল ধসে পড়ে। এতে সেখানে অবস্থানরত অর্ধশতাধিক মুসল্লি আহত হন। টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ও ময়দানে থাকা অন্য মুসল্লিরা আহতদের উদ্ধার করে টঙ্গী হাসপাতালে পাঠিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, পুরাতন ওই ঘরটি সংস্কার না হওয়ার কারণেই ওই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

ইজতেমার ময়দানের মুরুব্বি প্রকৌশলী মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, জুমার নামাজের পর ইজতেমার সাথীরা ওই ছাপড়া ঘরে অবস্থান করছিলেন। এসময় হঠাৎ করে দমকা বাতাস বইলে ওই ছাপড়ার চাল ভেঙে তাদের ওপরে পড়ে যায়। এতে ৩০-৩৫ জন মুসল্লি আহত হন। ওই স্থানে মুসল্লিরা নামাজ পড়েন এবং রাত্রিযাপনও করেন বলেও তিনি জানান।

আমিনুল ইসলাম/এআরএ/এমএস