ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

বাবাকে মরণোত্তর মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতির দাবি ছেলের

প্রকাশিত: ০৩:১১ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

বাবা মকবুল হোসেন যাদের সঙ্গে যুদ্ধ করেছেন তারা সবাই মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন। কিন্তু আমার বাবাকে স্বীকৃতি দেয়া হয়নি। এই শোকে তিনি ২০১১ সালে মারা যান। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের মূল সনদপত্র রয়েছে বাবার। তারপরও আবেদন দিলেই বাদ পড়ে যায়।

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার দক্ষিণ একসরা গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে রোকনুজ্জামান বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বাবা মকবুল হোসেন ৮ নম্বর সেক্টরের আওতায় হাতিয়ায় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। এরপর ৮ ও ৯ নম্বর সেক্টরে বিভক্ত হয়ে তারা খুলনার ফুলতলায় অস্ত্র জমা দেন। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ বিষয়ে তৎকালীন বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক জেনারেল আতাউল গনি ওসমানি, দেশ রক্ষা বিভাগের আঞ্চলিক অধিনায়ক মো. মঞ্জুর ও সেক্টর সাব কমান্ডার মো. শফিক উল্লাহ স্বাক্ষরিত মূল সনদপত্র রয়েছে।

বাবার সহযোদ্ধা আমিরুল সানা, মাহবুবুর রহমান, মো. কুদ্দুস ও ডা. আনিসুর রহমানসহ সবাই মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেয়েছেন। কিন্তু আমার বাবাকে এই স্বকৃতি দেয়া হলো না। আমি আশাশুনি উপজেলায় বাবাকে মরণোত্তর মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতির জন্য আবেদন করেছি। আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি যাচাই-বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। আমি বাবাকে মরণোত্তর মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতির দাবি জানাই।

এ বিষয়ে আশাশুনি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল হান্নান জাগো নিউজকে বলেন, যেকোনো কারণবশত তার নাম কোনো তালিকায় নেই। তাছাড়া বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আকরামুল ইসলাম/এএম