কক্সবাজারে লাইসেন্সধারী টমটম চিহ্নিতকরণ
পর্যটন শহর কক্সবাজারে যানজট নিরসনে লাইসেন্সধারী টমটম চিহ্নিতকরণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। রোববার বেলা ১২টার দিকে পাবলিক লাইব্রেরি শহীদ দৌলত ময়দানে সবুজ রংয়ে টমটম চিহ্নিতকরণ উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন।
এসময় তিনি বলেন, কক্সবাজারের প্রধান সড়ক তুলনামূলকভাবে অপ্রশস্ত। তার ওপর বিভিন্ন ছোট পরিবহনগুলো অনেক সময় রাস্তার ধারে পার্কিং ও কয়েক লাইনে চলাচল করে। ফলে অহেতুক যানজট লেগে দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। সাধারণ মানুষ ও যাত্রীদের সুবিধার্থে এবং শহরের যানজট নিরসনে পৌরসভা কর্তৃক লাইসেন্স প্রদানকারী টমটম ও ছোট পরিবহনগুলোর চিহ্নিত করে দেয়া হচ্ছে। এতে বিনা লাইসেন্সধারী পরিবহন চলাচল কমে গেলে যানজট কমবে। এটি সফল করতে সকলের সহযোগীতা কামনা করেন তিনি।
এসময় নেজারত ডেপুটি কালেক্টর আবু বাক্কার সিদ্দিক, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সেলিম শেখ, পৌরসভার মেয়র মাহবুবুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, পৌরসভা ইতোমধ্যে আড়াই হাজার টমটমকে লাইসেন্স দিয়েছে। কিন্তু শহরে টমটম চলে প্রায় ৮ হাজার। রিকশা লাইসেন্সও রয়েছে প্রায় ৩ থেকে সাড়ে তিন হাজার কিন্তু রিকশাও চলে ৫ থেকে ৭ হাজার। ফলে কক্সবাজার পর্যটন শহরটি টমটম ও রিকশার শহরে পরিণত হয়েছে। আনাড়ি চালক ও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাবের কারণে সকালে, দুপরে এবং সন্ধ্যায় শহরের প্রধান প্রধান ব্যস্ততম এলাকায় দীর্ঘ যানজট লেগেই থাকে। ফলে নষ্ট হয় দৈনিক ৫ ঘণ্টার ওপর কর্ম ঘণ্টা। এ নিয়ে অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
এ থেকে পরিত্রাণ পেতে সম্প্রতি জেলা প্রশাসনের সমন্বয় সভায় কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক) চেয়ারম্যানের পরামর্শে লাইসেন্সধারী টমটমগুলো চিহ্নিতকরণ কর্মসূচি হাতে নেয় জেলা ও পৌর প্রশাসন। এভাবে পর্যটন শহরকে পরিকল্পিত নগর হিসেবে গড়ে তুলতে চেষ্টা চলছে বলে উল্লেখ করেন কউক চেয়ারম্যান লে. কর্নেল (অব.) ফোরকান আহমদ।
সায়ীদ আলমগীর/এআরএ/জেআইএম