হাতিয়ার ঠেঙ্গারচর পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব
রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের পদক্ষেপ হিসেবে নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার দুর্গম ঠেঙ্গারচর এলাকা পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল জয়নাল আবেদীন।
বুধবার দুপুরে তিনি হাতিয়া উপজেলার ঠেঙ্গারচর পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি চরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি হেলিপ্যাড, একটি জেটি ও গভীর নলকূপ নির্মাণসহ বিভিন্ন বিষয়ে স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে দিকনির্দেশনা দেন।
এ সময় হাতিয়া উপজেলার সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী, হাতিয়া পৌরসভার মেয়র এ কে এম ইউছুফ আলী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোন্দকার রেজাউল করিম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসপি (সার্কেল) নবজ্যোতি খিসা, হাতিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. গোলাম ফারুক উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার পশ্চিম উপকূল থেকে ৫ কি.মি. এবং হাতিয়া উপজেলা থেকে ২৫ কি.মি. পূর্বদিকে মেঘনা নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় প্রায় ১১ বছর আগে জেগে ওঠে বিচ্ছিন্ন এবং জনমানবশূন্য দ্বীপ বা নতুন চর। জেলেরা ৮ কি.মি. দৈর্ঘ্য ও ৪.৫ কি.মি. প্রস্থ ( প্রায় ১০ হাজার একর) আয়তনের এ চরের নাম দেয় ঠেঙ্গারচর।
সম্প্রতি কক্সবাজারে অবস্থানরত ও নিবন্ধিত মিয়ানামারের নাগরিক রোহিঙ্গাদের মানবিক কারণে দেশে ফেরার প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ঠেঙ্গারচরে প্রায় ৭০ হাজার রোহিঙ্গা মুসলিমদের আশ্রয় দেয়ার কথা ভাবছে বাংলাদেশ সরকার।
মিজানুর রহমান/আরএআার/আরআইপি