ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

মরদেহের অপেক্ষায় ছাতিরচরবাসী

প্রকাশিত: ০৮:৩৬ এএম, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

এমন করুণ মৃত্যু কখনো দেখেনি কিশোরগঞ্জের ছাতিরচর এলাকার মানুষ। একসঙ্গে ১১ জনের মৃত্যু। এ যেন মরদেহের মিছিল।

স্বজন হারানোর খবর এসেছে সেই সকালে। এখন অপেক্ষা স্বজনের মরদেহের। তাই এলাকার হাজারো মানুষ অশ্রুসিক্ত নয়নে অপেক্ষা করছেন মরদেহের মিছিলের জন্য।

আজ রোববার সকালে নরসিংদীর বেলাবোতে বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১১ জনের করুণ মৃত্যু হয়। নিহতরা সবাই মাইক্রোবাসের যাত্রী ছিলেন। তাদের সবার বাড়ি কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার ছাতিরচর মধ্যপাড়া ও পূর্বপাড়া গ্রামে।

ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় শ্রমজীবী হিসেবে কাজ করতেন এসব মানুষ। গ্রামের বাড়িতে একটি গ্রামীন মেলায় অংশ নেয়ার জন্য তারা মাইক্রোবাসে করে ফিরছিলেন।

নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের ৩ জন করে ৬ জন রয়েছে। তাদের মধ্যে ৪ জন নারী ও ২ জন শিশু।

নিহতদের মধ্যে ১০ জনের নাম জানা গেছে। তারা হচ্ছেন, মৃত কালু মিয়া ছেলে মানিক মিয়া (৫৫), তার স্ত্রী মাফিয়া খাতুন (৪৫) ও তাদের শিশু সন্তান আনসার আলম (১২)। হাছান মিয়া (৪০), তার স্ত্রী হালিমা খাতুন (৩০) ও তাদের সন্তান ইশান মিয়া (১০)। সিদ্দিক মিয়ার স্ত্রী সাধনা আক্তার (৪০),  বাচ্চু মিয়ার মেয়ে ঝুমা আক্তার (১৫), শব্দর মিয়ার ছেলে হিরা মিয়া (৪৫), মরম আলী ছেলে নাজমুল (৩০) ও অপর জনের নাম জানা যায়নি।
 
মরদেহগুলো কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানায় রাখা হয়েছে। সেখান থেকে প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে সেগুলো নিকলীর ছাতিরচর এলাকায় পাঠানো হবে।

ছাতিরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জামাল উদ্দিন মরদেহ গ্রহণের জন্য স্বজনদের নিয়ে ভৈরব থানায় আছেন।

তিনি জানান, আর কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃতদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

নূর মোহাম্মদ/এফএ/এমএস

আরও পড়ুন