ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

৩১টি ডিম দিয়েছে ‘বাসকা কচ্ছপ’

প্রকাশিত: ০১:৩২ পিএম, ০৫ মার্চ ২০১৭

সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে প্রথমবারের মতো ডিম পেড়েছে মহাবিপন্ন প্রজাতির বাটাগুর বাসকা কচ্ছপ।

গতকাল শনিবার প্রজননকেন্দ্রের পুকুরে থাকা প্রাপ্তবয়স্ক চারটি কচ্ছপের মধ্যে একটি এ ডিমগুলো দেয়। গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে গতকাল ভোর পর্যন্ত একটি মাদি কচ্ছপ ৩১টি ডিম পাড়ে।

বর্তমানে ডিমগুলো বাচ্চা ফোটানোর জন্য একটি নিরাপত্তা খাঁচায় রাখা হয়েছে। আগামী ৫৫-৬০ দিনের মধ্যে এ ডিম থেকে কচ্ছপের বাচ্চা জন্ম নেবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানায়।

করমজল বণ্যপ্রাণি প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজাদ কবির জানান, মহাবিপন্ন বাটাগুর বাসকা প্রজাতির কচ্ছপকে রক্ষায় এর প্রজনন, সংরক্ষণ ও সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সুন্দরবনে গবেষণা কার্যক্রম চলমান আছে।

বাংলাদেশ বন বিভাগ, অস্ট্রিয়ার জু ভিয়েনা, যুক্তরাষ্ট্রের টিএসএ ও আইইউসিএন যৌথ উদ্যোগে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বর্তমানে এ কেন্দ্রে ১২টি পূর্ণবয়স্ক ও ৯৬টি বাচ্চা কচ্ছপ রয়েছে।

এর মধ্যে একটি পূর্ণ বয়স্ক মাদি কচ্ছপ বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত করমজলের বালির সৈকতে ৩১টি ডিম পেড়েছে। আরও তিনটি কচ্ছপের এ মাসে ডিম পাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি বলেন, এর আগে জু ভিয়েনার অর্থায়নে বাংলাদেশ বন বিভাগের আওতাধীন ভাওয়াল ন্যাশনাল পার্কে বাটাগুর বাসকা কচ্ছপের প্রজনন কার্যক্রম শুরু হয়। ওই কার্যক্রমের সাফল্যের ফলে প্রচুর কচ্ছপ পাওয়া যায়। তবে সুন্দরবন এলাকায় এই প্রথম বাটাগুর বাসকা প্রজাতির  কচ্ছপ থেকে ডিম পাওয়া সম্ভব হয়েছে। তাই আমাদের গবেষণা সফল বলে উল্লেখ করা যায়।

এ বিষয়ে পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) সাইদুল ইসলাম বলেন, এক সময়ে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলসহ লবণাক্ত পানিতে অনেক বাটাগুর বাসকা পাওয়া যেত। তবে নানা কারণে এ প্রজাতির কচ্ছপ এখন বিলুপ্তির পথে।

শওকত আলী বাবু/এএম/জেআইএম