ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

শিবির সন্দেহে সহোদরকে পুলিশে দিল মেয়র

প্রকাশিত: ০৩:০৯ পিএম, ২৩ মার্চ ২০১৭

টাঙ্গাইলে জামাত-শিবির সন্দেহে মাওলানা রাজিবুর ইসলাম (২৫) ও ইসমাইল হোসেন রাশেদ (২০) নামে দুই সহোদরকে পুলিশে দিয়েছেন ঘাটাইল পৌর মেয়র শহিদুজ্জামান খান।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ঘাটাইল পৌরসভা মেয়রের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এরা জামালপুরের পিংনা গ্রামের রফিকুল আহসান তালুকদারের ছেলে।

জানা যায়, মওলানা রাজিবুল ইসলাম রাজধানীর তামিরুল মিল্লাত মাদরাসার তাফসিরুল কুরআনের ছাত্র। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঘাটাইলের শান্তি মহল মহল্লায় ভাড়া বাসা নিয়ে থেকে গোপনে এলাকার বিভিন্ন তরুণ ও যুবকদের জামাত-শিবিরের পালে ভিড়ানোর তৎপরতা চালিয়ে আসছিলেন।

স্থানীয় ফতেরপাড়া গ্রামের আসাদুল (১৪) ও আব্দুল আলিম (১৮) জানায়, তাদের শিবিরের সদস্য বানানোর জন্য ফরম দিয়ে ছিল মওলানা রাজিবুর ইসলাম। কিন্তু তারা সদস্য হতে রাজি হয়নি।

এদিকে, জামাত-শিবিরের কর্মকাণ্ড নিয়ে গত পরশু মওলানা রাজিবুল ইসলামের সঙ্গে ঘাটাইল থানা মসজিদের মুয়াজ্জিন খলিলুর রহমানের মতবিরোধ হয়। এনিয়ে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে।

বিষয়টি তাদের বাড়িতে জানানো হয়। ওই ঘটনায় তার ছোট ভাই ইসমাইল হোসেন রাশেদ (২০) পৌরসভা মেয়রের কার্যালয়ে যায়।

এ ব্যাপারে ঘাটাইল পৌরসভার মেয়র শহিদুজ্জামান খান জানান, ইসমাইল হোসেন বৈশাখী টিভির কথা বলে পৌরসভার কক্ষে ঢুকে ও নানাভাবে আমাকে ব্ল্যাকমেইল করা চেষ্টা করে। পরে তিনি ঘটনাটি স্থানীয়দের জানান। এসময় জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত দুইসহোদরকে জামাত-শিবিরসহ অন্যান্য নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের সক্রিয় সদস্য বলে সন্দেহ হয়। ফলে মেয়র তাদের ঘাটাইল থানা পুলিশে সোপর্দ করেন। ইসমাইল হোসেন ‘দৈনিক আজকের জামালপুর ও বৈশাখী টিভি পরিচয়ে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করে।

ঘাটাইল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তাদের থানা হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

আরিফ উর রহমান টগর/এআরএ/জেআইএম