ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

হাবিপ্রবির হত্যাকাণ্ডে বহিষ্কৃত তিন ছাত্র জড়িত

প্রকাশিত: ০১:৩৪ পিএম, ২০ এপ্রিল ২০১৫

দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন ২ ছাত্র নিহতের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেছে প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরাম নেতৃবৃন্দ। দুপুর ১২টায় হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরামের সহ-সভাপতি প্রফেসর ড. মো. আনিস খান ও সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড.বলরাম রায় স্বাক্ষরিত লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ১৬ এপ্রিলের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে গুলি বর্ষণ ও হামলায় ২ শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় মূলত তিনজন জড়িত।

তারা হলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত ছাত্র অরুণ কান্তি রায় সিটন, জাহিদ ও ইফতেখারুল ইসলাম রিয়েল। তাদের নেতৃত্বে ৩টি মাইক্রোবাসযোগে কিছু দুষ্কৃতিকারী সশস্ত্র অবস্থায় ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন এবং হামলা চালান। এসময় তারা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে দেন, মুখোশ পরে গুলি চালান ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরামের সহ-সভাপতি প্রফেসর ড. মো. আনিস খান ও সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড.বলরাম রায় বলেন, নিরাপত্তা ব্যবস্থার ত্রুটি ছিল, পুলিশ প্রশাসনকে অনুষ্ঠানের বিষয়টি অবগত করা হয়নি।

সাংবাদিকরা তদন্ত কমিটির রিপোর্ট সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা জানান, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে তাদের সোমবার রিপোর্ট জমা দেয়ার কথা থাকলেও এখনো তা জমা দেয়া হয়নি। তারা এ সময় সংসদীয় তদন্ত কমিটির মাধ্যমে এই ঘটনা তদন্তের দাবি জানান।

এ সময় প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড.বলরাম রায় সাংবাদিকদের বলেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর রুহুল আমিন জড়িত আছেন। তার দেয়া বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই আমরা।

তিনি আরো বলেন, একজন ভিসি কোনভাবেই হত্যাকাণ্ডের মত জঘন্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত হতে পারেন না। তিনি আরো বলেন, পুলিশ  প্রশাসন আমাদের কথা শুনলে ও কাজ করলে ক্যাম্পাসে এমন হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হতোনা।

সাংবাদিক সম্মেলনে প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরামের অন্যান্য নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ক্লাশ ও পরীক্ষা চালু চলছে।

এমজেড/এমএএস/আরআই