ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

শ্রেণিকক্ষে ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যায় অপমৃত্যু মামলা!

প্রকাশিত: ১০:৫০ এএম, ৩১ মার্চ ২০১৭

টাঙ্গাইলের কালিহাতীর একটি বিদ্যালয়ের নির্জন কক্ষে সুমী আক্তার (১৫) নামে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার মহেলা রাবেয়া সিরাজ উচ্চ বিদ্যালয়ের এ ঘটনায় রাতেই থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করে থানা পুলিশ। তবে এ ঘটনায় জড়িত স্থানীয় সামাদ মিয়ার বখাটে ছেলে রনি মিয়াকে (২৬) গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের হওয়া নিয়ে স্থানীয় বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন জানান, বিদ্যালয়ের নির্জন কক্ষে সুমী আক্তার (১৫) নামে ওই দরিদ্র অসহায় পরিবারের মেয়েটিকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় থানায় কিভাবে অপমৃত্যু মামলা হয়। তাদের ধারণা হত্যার শিকার মেয়েটির পরিবার অসহায় ও দরিদ্র হওয়ার সুযোগে এ ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে তৃতীয় কোনো পক্ষ মিমাংসার পাঁয়তারা চালাচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে কালিহাতী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মো. আখেরুজ্জামান জানান, প্রেমঘটিত কারণে মেয়েটি আত্মহত্যা করেছে। এ কারণেই থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়াও এটি ধর্ষণ পরবর্তী হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা প্রমাণের জন্য ময়নাতদন্ত রিপোর্টের আপেক্ষা করা হচ্ছে। রিপোর্টে যদি ধষর্ণ বা হত্যার কোনো আলামত পাওয়া যায় তাহলে পুলিশ বাদী হয়ে এ ঘটনায় অবশ্যই হত্যা মামলা দায়ের করবে।

প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার মহেলা রাবেয়া সিরাজ উচ্চ বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণির ছাত্রী ও স্থানীয় মো. রফিক মিয়ার মেয়ে সুমী আক্তার (১৫)। গতকাল বৃহস্পতিবার মহেলা রাবেয়া সিরাজ উচ্চ বিদ্যালয়ে স্কুল কেবিনেট কাউন্সিল নির্বাচন চলছিল। ভোটের কারণে স্কুলের অধিকাংশ কক্ষ খালি ছিল। সুমী স্কুলে গিয়ে ওই নির্বাচনে ভোট দিয়ে ফেরার সময় স্থানীয় বখাটে রনি মিয়া (২৬) তাকে ডেকে নিয়ে মুখ বেঁধে বেদম মারপিট ও ধর্ষণ করে। মুমূর্ষু অবস্থায় স্থানীয়রা সুমীকে ভ্যানে করে হাসপাতালে পাঠায়। হাসপাতালে নেয়ার পথে সুমী মারা যায়। পরে তাকে বাড়িতে এনে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রচার চালানো হয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

আরিফ উর রহমান টগর/আরএআর/পিআর

আরও পড়ুন