ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

রামগঞ্জে বাল্যবিয়ে না করায় ৫ লাখ টাকা দাবি

প্রকাশিত: ০২:৪৯ পিএম, ০৪ এপ্রিল ২০১৭

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বাল্যবিয়ে না করায় ছেলের ভগ্নিপতি কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে মেয়ের পরিবার ও তাদের অনুসারীদের বিরুদ্ধে। এজন্য আটকে রেখে জোরপূর্বক খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়া হয়।

এ ঘটনায় ভগ্নিপতি ফিরোজ আলম মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন ইউএনও।

অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২৭ মার্চ উপজেলার ভাদুর ইউনিয়নের হানুবাইশ গ্রামের জামাল হোসেনের মেয়ে ও দরবেশপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী সুমাইয়া আক্তার পলির সঙ্গে নোয়াখালীর চাটখিলের পরকোট ইউনিয়নের পশ্চিম শোশালিয় গ্রামের প্রবাসী মমিনুল ইসলামের বিয়ে ঠিক হয়।

বাল্যবিবাহের খবর পেয়ে রামগঞ্জর ইউএনও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে মেয়ের অভিভাবকদের সতর্ক করে দেয়। প্রশাসনে তৎপরতায় বিয়ে কার্যক্রম আর হয়নি। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে মেয়ের পরিবারের লোকজন।

গত কয়েকদিন ধরে মেয়ের বাবা জামাল, দরবেশপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) ইসমাইল হোসেন ও মো. ইলিয়াছসহ তাদের অনুসারীরা ছেলে ও তার স্বজনদের বিয়েটি সম্পাদন করার জন্য চাপ দেয়, না হয় ৫ লাখ টাকা দিতে হবে বলে তারা জানায়।

সর্বশেষ তারা সোমবার রাত ১১টার দিকে ভাদুর ইউনিয়নের কচুয়া ডেকোরেশনে বসে মমিনুলের ভগ্নিপতি ফিরোজ আলমকে আটকে রাখে। এসময় ভয়-ভীতি দেখিয়ে তার কাছে থেকে একটি অলিখিত স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর রাখা হয়।

রামগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোতা মিয়া বলেন, অভিযোগটি এখানও আমার হাতে এসে পৌঁছায়নি। এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আবু ইউসুফ জানান, লিখিত অভিযোগটি পেয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ওসির কাছে পাঠানো হয়েছে।

কাজল কায়েস/এআরএ/এমএস