ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

বৃষ্টিতে তরমুজ ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত

প্রকাশিত: ০৩:৪২ পিএম, ২৪ এপ্রিল ২০১৫

কয়েকদিনের টানা কালবৈশাখী ঝড়ে কক্সবাজারের তরমুজ ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়েছেন। প্রচণ্ড তাপমাত্রায় কাহিল মানুষের চাহিদাকে পুঁজি করে চড়া দামে তরমুজ বিক্রি করে অতিরিক্ত ফায়দা লোটার জন্য লাখ টাকার তরমুজ মজুদ করে রাখায় অবশেষে তরমুজ ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত দেয়া যোগাড়। গত ৩ দিন ধরে মধ্যরাতে অকাল বৃষ্টি ও গুমোট আবহাওয়ার ফলে তরমুজ কিনছেন না ক্রেতারা।

একাধিক ক্রেতা তাদের বলেন, বৃষ্টিতে তরমুজের মিষ্টি নষ্ট হয়ে গেছে। তাই এখন আর তরমুজ কিনে লাভ নেই। এই অবস্থায় তরমুজ ব্যবসায়ীরা তাদের বিনিয়োগকৃত অর্থ কিভাবে উঠাবেন তা নিয়ে দুচিন্তায় পড়েছেন। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও মৌসুমকে সামনে রেখে কক্সবাজারের সোনারপাড়া, মরিচ্যা, কোটবাজার, উখিয়া সদর, কুতুপালং, বালুখালী, থাইংখালী ও পালংখালী হাটবাজার স্টেশনের ফুটপাত তরমুজে সয়লাব হয়ে গেছে।

একাধিক ব্যবসায়ী জানান, মৌসুমের শুরুতেই তারা তরমুজ বিক্রি করে লাভবান হয়েছেন। হঠাৎ করে যে বৃষ্টি হবে তা জানা ছিল না বিধায় তরমুজ মজুদ করে বেকায়দায় পড়েছি। কুতুপালং স্টেশনের তরজুম ব্যবসায়ী হাছু মিয়া জানান, অধিক লাভের আশায় প্রায় ৫০ হাজার টাকার তরমুজ মজুদ করেছেন। গত ৩ দিন ধরে মধ্য রাতের বৃষ্টিতে তরমুজের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এমতাবস্থায় ক্রেতারা ১শ’ টাকার তরমুজ ৩০/৪০ টাকায়ও কিনতেও আগ্রহী হচ্ছেন না।

এদিকে বিভিন্ন এলাকায় এখনো ক্ষেতে হাজার হাজার তরমুজ রয়েছে। সম্প্রতি বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী সেই সঙ্গে শিলাবৃষ্টিতে তরমুজের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে কৃষকদের অভিযোগ।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শংকর কুমার মজুমদার জাগো নিউজকে জানান, বৃষ্টির কারণে ক্ষতি হলেও কৃষকদের আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। যেহেতু, বৃষ্টির আগে কৃষকদের বিনিয়োগকৃত অর্থ উঠে গেছে।

এমজেড/পিআর