ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ঋণ মওকুফের আশ্বাস প্রতিমন্ত্রীর

প্রকাশিত: ১১:২১ এএম, ০৯ এপ্রিল ২০১৭

অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ঋণ মওকুফের জন্য কৃষিবান্ধব সরকারের কাছে সুপারিশ করা হবে। যাতে প্রান্তিক, গরীব, ক্ষুদ্র কৃষকরা সুবিধা পেতে পারে।

রোববার দুপুরে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন আয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সভা শেষে সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন তিনি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক বাঁধ নির্মাণের গাফিলতির বিষয়ে এখানকার সাধারণ মানুষের জনমত অত্যন্ত প্রবল উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গাফিলতির বিষয়টি খতিয়ে দেখার এবং এ জন্য কারা দায়ী তা নির্ধারণে কমিটি করার জন্যও সরকারের কাছে সুপারিশ করা হবে। এছাড়া স্থানীয়ভাবে ব্যর্থতাগুলো চিহিৃত করতে প্রশাসনও একটি কমিটি করবে বলে জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের কম মূল্যের চাল বিক্রি, ভিজিএফসহ চলমান কিছু প্রকল্প আছে যেগুলো বৃদ্ধি করা হয়েছে। সুনামগঞ্জে এর পরিমাণ ও সংখ্যা বাড়ানোর জন্য ত্রাণ ও খাদ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবো।

সুনামগঞ্জকে দুর্গত এলাকা ঘোষণা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দুর্গত এলাকা ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে লঙ্গরখানা খোলার প্রস্তাব আসবে, লঙ্গলকানা এমন একটি শব্দ যা বর্তমান বাংলাদেশে এটি গ্রহণযোগ্য নয়। সেই ধরনের দুর্ভিক্ষ অবস্থায় আমরা নেই। তবে খাদ্যের অভাব আছে, যেভাবেই হোক তা মেটানো হবে আমাদের প্রধান কাজ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সাংসদ মহিবুর রহমান মানিক, মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, জয়া সেনগুপ্ত, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সাবেক সাংসদ আলহাজ মতিউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবির ইমন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল হুদা মুকুট, জেলা প্রশাসক (যুগ্ম সচিব) শেখ রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, গত ২৯ মার্চ থেকে অসময়ে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের প্রায় সবকটি হাওরের বোরো ফসলি জমি পানিতে ডুবে যায়। সরকারি হিসেব মতে ক্ষতির পরিমাণ একলাখ একহাজার হেক্টর ধানি জমি তলিয়ে যায়।

যার ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা। তবে সরকারের এ হিসাব মানতে নারাজ কৃষক ও হাওর বিশেষজ্ঞরা। তাদের দাবি তলিয়ে গেছে প্রায় ২ লাখ হেক্টরের ফসলি জমি যার ক্ষতির পরিমাণ ২ হাজার কোটি টাকা।

রাজু আহমেদ রমজান/এএম/আরআইপি