ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

গ্রামের বাড়ির মসজিদের পাশে জঙ্গি রিপনের কবর খনন

প্রকাশিত: ০৩:৪১ পিএম, ১২ এপ্রিল ২০১৭

রাতেই কার্যকর হতে যাচ্ছে ব্রিটিশ হাই কমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি দেলোয়ার হোসেন ওরফে রিপনের ফাঁসি।

রাতের যে কোনো সময় জেলকোড অনুসারে ফাঁসি কার্যকর করবে কারা কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্নের পাশাপাশি জঙ্গি রিপনের স্বজনদের শেষবারের মতো দেখা করতে বলা হয়েছে।

রিপনের গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নের কোনাগাঁও গ্রাম থেকে থেকে ২০-২৫ জনের মতো স্বজন দেখা করবেন বলে নিশ্চিত করেন জঙ্গি রিপনের ছোট ভাই শিপন।

এদিকে ফাঁসির পর স্বজরা তাকে নিয়ে আসবে গ্রামের বাড়িতে। সেখানে একটি মসজিদের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। এ জন্য রাতেই কবর খনন করা হবে বলে পারিবারিক সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালের ২১ মে সিলেটের হযরত শাহজালালের (র.) মাজারে তৎকালীন ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা হয়। হামলায় আনোয়ার চৌধুরী, সিলেটের জেলা প্রশাসকসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত এবং নিহত হন দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ তিনজন।

মামলার বিচার শেষে ২০০৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর বিচারিক আদালত সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ৫ আসামির মধ্যে মুফতি হান্নান, বিপুল ও রিপনকে মৃত্যুদণ্ড এবং মহিবুল্লাহ ও আবু জান্দালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

২০০৯ সালে আসামিরা আপিল করেন। বিচারিক আদালতের দণ্ড বহাল রেখে গত বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন দুই আসামি ‘মুফতি’ হান্নান ও বিপুল।

গত বছরের ৭ ডিসেম্বর আসামিদের আপিল খারিজ করে চূড়ান্ত রায় দেন আপিল বিভাগ। আসামিরা এ রায়ের পুনর্বিবেচনা চেয়ে রিভিউ আবেদন জানালেও গত ১৯ মার্চ তা খারিজ করে দেন সর্বোচ্চ আদালত।

রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি ২১ মার্চ প্রকাশিত হলে পরদিন ২২ মার্চ তিনজঙ্গির মৃত্যু পরোয়ানায় স্বাক্ষর করে কারাগারে পাঠান বিচারিক আদালত।

মৃত্যু পরোয়ানা ও সর্বশেষ রায় শোনার পর গত ২৭ মার্চ পৃথকভাবে মুফতি হান্নান, বিপুল ও রিপন নিজ নিজ কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চায়।

শনিবার (৮ এপ্রিল) রাষ্ট্রপতি প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ করে দেয়ার পর আজ বুধবার জেলকোড অনুসারে ফাঁসি কার্যকর করবে কারা কর্তৃপক্ষ।

এমএএস/এমএস