ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত ৩০
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দফায় দফায় সদর উপজেলার বুধল ইউনিয়নের বুধল ও মালিহাতা গ্রামের লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এছাড়া সংঘর্ষের সময় উভয়পক্ষের বেশ কয়েকটি ঘর-বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। সংঘর্ষে আহতদেরকে জেলা সদর হাসপাতাল ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তবে তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, রোববার সদর উপজেলার বুধল ইউনিয়নের ১,২ ও ৩নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত ইউপি সদস্য পদে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ‘মাইক’ প্রতীকে শিউলী আক্তার সেলিম ও ‘তালগাছ’ প্রতীকে রওশন আরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে ‘মাইক’ প্রতীকে শিউলী আক্তার সেলিম বিজয়ী হন।
রোবাবর নির্বাচন চলাকালে ভোট কেন্দ্রে শিউলীর সমর্থক লিয়াকত আলী রওশন আরার সমর্থক সুমনকে মারধর করেন। এ ঘটনার জের ধরে এদিন বিকেলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এরই জের ধরে সোমবার সকাল ৮টা থেকে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে বুধল ইউনিয়নের বুধল ও মালিহাতা গ্রামের লোকজনও সংঘর্ষে যোগ দেন। থেমে থেকে কয়েক দফায় দুপুর ১টা পর্যন্ত চলা এ সংঘর্ষে উভয় গ্রামের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকটি ঘর-বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মঈনুর রহমান জাগো নিউজকে জানান, পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ার গ্যাস ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে ৫ সংঘর্ষকারীকে আটক করা হয়েছে।
আজিজুল সঞ্চয়/আরএআর/আরআইপি