ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

অপরাধের মাত্রানুসারে শিশুদের আলাদা রাখতে হবে

প্রকাশিত: ১১:০৩ এএম, ১৮ এপ্রিল ২০১৭

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক বলেছেন, অপরাধের শ্রেণিবিন্যাস বা মাত্রানুসারে শিশুদের আলাদা রাখতে হবে। কেননা, বড় অপরাধের সঙ্গে যেন তারা জড়াতে না পারে। সেজন্য সাধারণ একজন শিশুকে আলাদা রাখার প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি বলেন, শিশুদের উন্নয়নে কেন্দ্রে না পাঠিয়ে খেলাধুলার সুযোগ, বাবা-মা, সোসাইটি, শিশু সদনে নিয়ে যেতে হবে। অপরাধ জগতের শিশুদের সঙ্গে তাদের রাখা যাবে না। অভিযোগের শ্রেণিবিন্যাস করতে হবে।

বুধবার দুপুর ১টায় টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের শিশুদের সঙ্গে কথা বলে তাদের খোঁজখবর নেন মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান।

তিনি বলেন, বিনা বিচারে থাকা শিশুদের চিহ্নিত করে তাদের তালিকা তৈরি করে আদালতের সঙ্গে যোগাযোগ, সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুততম সময়ে চার্জশিট তৈরি, বেইল এবং রায় নিয়ে আসার ব্যবস্থা করতে হবে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে এইচএসসি পর্যন্ত শিক্ষা বাস্তবায়ন, ধারণ ক্ষমতা না বাড়িয়ে স্কাইপির মাধ্যমে আদালতের সঙ্গে শিশুদের কানেক্ট করতে হবে। যাতে শিশুরা শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে থেকেই আদালতে তাদের হাজিরা নিশ্চিত করতে পারে। এসব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করার ব্যবস্থা করতে হবে।

পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন, সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি এম ইমান আলী, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের পরিচালক শরীফ উদ্দিন, সহকারী পরিচালক রবিউল ইসলাম, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এস এম আলম, সমাজসেবা অধিদফতরের উপপরিচালক শংকর শরন সাহা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাখাওয়াত হোসেন, শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক শাহজাহান প্রমুখ।

কাজী রিয়াজুল হক বলেন, এখানে থাকাকালে শিশুরা তাদের মৌলিক অধিকার তাদের চলাফেরা, কথা বলার স্বাধীনতা তারা কতটুকু উপভোগ করতে পারছে সেগুলো দেখার জন্য পরিদর্শন করতে এসেছি।

তিনি বলেন, শিশুদের বিচার বড়দের আদালতে হতে পারবে না। শিশু আদালতে হতে হবে। এখানে এসে শিশুদের করুন অবস্থা এবং এত সংখ্যক শিশু দেখতে হতো না। যদি শিশু আইন যথাযথভাবে মানা হতো। শিশুদের সর্বোত্তম স্বার্থ রক্ষা করতে হবে।

এখানে একজন চিকিৎসক রাখার সিস্টেম নেই। অথচ শিশুর সংখ্যা ৪০০। আমরা সরকারের সঙ্গে এসব বিষয়ে কথা বলে মানসিক প্রতিবন্ধী শিশুদের কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থাসহ উল্লেখিত অধিকার বাস্তবায়নের আগামী ৬ মাসের মধ্যে বাস্তবায়নের চেষ্টা করবো।

মোঃ আমিনুল ইসলাম/এএম/এমএস