ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

নীতিমালার আগে সেন্টমার্টিনের বসতি না ভাঙার আকুতি

প্রকাশিত: ১২:১১ পিএম, ০২ মে ২০১৭

স্থাপনা নির্মাণে অভিন্ন নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়ে প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনের বসতি রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন দ্বীপবাসী।

এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করা হলে পর্যটন ব্যবসায় ধস নামার পাশাপাশি সেন্টমার্টিনের ১০ হাজার অধিবাসীর মানবিক বিপর্যয় ঘটার আশঙ্কা রয়েছে বলে দাবি করেন তারা। মঙ্গলবার দুপুরে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধনে এ দাবি জানান সেন্টমার্টিনের অধিবাসীরা।

সেন্টমার্টিন দ্বীপরক্ষা ও উন্নয়ন পরিষদের ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে আহ্বায়ক শিবলুল আজম কোরাইশী, সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল আমিন, সাবেক চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমদ, এম এ রহিম জিহাদী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

পরে এক র্যালি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পরিবেশ অধিদফতরের কক্সবাজার আঞ্চলিক অফিসে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক বরাবর একটি স্মারকলিপি কক্সবাজারের সহকারী পরিচালকের  কাছে প্রদান করেন তারা।

সেন্টমার্টিনে নিয়মবহির্ভূতভাবে গড়ে ওঠা ১০৪টি আবাসিক হোটেল ভাঙার নির্দেশ দিয়েছে পরিবেশ অধিদফতর। আগামী ১০ মে’র মধ্যে হোটেল মালিক পক্ষকে নিজ দায়িত্বে হোটেল ভেঙে তা সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে।

নোটিশ পেয়ে গতকাল মানববন্ধন করেছে দ্বীপবাসী। মানববন্ধনে তারা বলেন, এগুলো আবাসিক হোটেল নয়, এগুলো তাদের বসবাসের নিজস্ব ঘর। পর্যটকরা বেড়াতে আসলে তাদের থাকার সুযোগ করে দেয়া হয়। আর এতে লাভবান হয় সবাই। এখন আমাদের বসবাসের ঘর ভেঙে ফেলতে বলা হয়েছে। তাহলে এখন দ্বীপবাসী যাবে কোথায়। কোথায় ঘুমাবে। এমন হলে দ্বীপবাসী তাদের বাসস্থান হারাবে তথা মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে। তাই সেন্টমার্টিন রক্ষার নীতিমালা না হওয়া পর্যন্ত তাদের বসতি যেন ভাঙা না হয়। এই জন্য তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন জানান।

এ ব্যাপারে পরিবেশ অধিদফতরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মো. মাসুদ করিম বলেন, নিয়মবহির্ভূতভাবে স্থাপনা নির্মাণের কারণে নিজ দায়িত্বে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। আগামী ১০ মে’র মধ্যে তারা নিজ দায়িত্বে অবৈধ স্থাপনা অপসারণ না করলে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। দ্বীপটি এখন চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। একই সঙ্গে উচ্চ আদালতের নির্দেশও সবাইকে মেনে চলতে হবে।

সায়ীদ আলমগীর/এএম/এমএস