ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

পবিপ্রবিতে ছাত্রলীগের হামলায় ১০ শিক্ষার্থী আহত

প্রকাশিত: ১০:০৩ পিএম, ২১ মে ২০১৭

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেয়া স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) ছাত্রলীগের হামলায় এক সাংবাদিকসহ কমপক্ষে ১০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেট সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের উদ্ধার করে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে গুরুতর আহত এক শিক্ষার্থীকে বরিশালের শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পবিপ্রবির বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে রোববার ফেসবুকে পোস্ট দেয় কয়েকজন শিক্ষার্থী। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত দুমকি গ্রুপের সঙ্গে বাউফল ও পটুয়াখালী গ্রুপের মতবিরোধ দেখা দেয়।

এ নিয়ে ফেসবুকে পাল্টাপাল্টি পোস্ট ও কমেন্টস করতে থাকেন ওই দুই গ্রুপের শিক্ষার্থীরা। বাউফল-পটুয়াখালী গ্রুপের পক্ষ নিয়ে কমেন্টস করেন পবিপ্রবি ছাত্রলীগের কয়েক নেতাকর্মী।

এর জের ধরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেট সংলগ্ন এলাকায় কৃষি অনুষদের সপ্তম সেমিস্টারের কাওছার-উজ-জামান সুমন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদের সপ্তম  সেমিস্টারের বাদল শীল, একই অনুষদের তৃতীয় সেমিস্টারের সাগরের নেতৃত্বে বাউফল-পটুয়াখালী গ্রুপের ছাত্রলীগের প্রায় ২০-২৫ নেতাকর্মী ধারালো অস্ত্র, পাইপ ও হকিস্টিক নিয়ে দুমকি গ্রুপের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় পবিপ্রবি ছাত্রলীগের সভাপতি আনিসুজ্জামান আনিস ও সাধারণ আহমেদ রিমন উপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

হামলায় দৈনিক ইত্তেফাকের পবিপ্রবি সংবাদদাতা মো. নাঈম হোসেন, মৃত্তিকা বিজ্ঞানের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী আলআমিন হোসেন, মাৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের তৃতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী মো. সোহেল রানা, সিএসই অনুষদের পঞ্চম সেমিস্টারের মেহেদী হাসান, কৃষি অনুষদের প্রথম সেমিস্টারের লিপ্তসহ ১০ জন আহত হয়।

আহতদের মধ্যে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আলামিনের একটি কান কেটে পড়ে গেছে। তাকে অচেতন ও গুরুতর অবস্থায় শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
 
এ বিষয়ে পবিপ্রবির প্রক্টর প্রফেসর ড. পূর্ণেন্দু বিশ্বাস বলেন, পরিস্থিত শান্ত রাখতে পুলিশের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। হামলার বিষয় তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিবাকর চন্দ্র দাস বলেন, পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে।

জি এম শান্ত/এসআর